কক্সবাজারের কুতুবদিয়া সমুদ্রসৈকতে ভেসে আসা একটি বিশালাকার মৃত তিমি চার দিন ধরে পড়ে থাকায় পচে গিয়ে আশপাশের এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে।
দ্রুত এটি অপসারণ বা মাটিচাপা দেয়ার কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। পবিত্র রমজান মাসে রোজাদারসহ সাধারণ মানুষ দুর্গন্ধে চরম দুর্ভোগে পড়ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ মার্চ রাতে উপজেলার দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়নের পশ্চিম সমুদ্রসৈকতে মৃত তিমিটি প্রথম ভেসে আসে। পরে জোয়ারের পানিতে তিমিটি উপকূলের আরও কাছে চলে এলে ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে এক্সকাভেটর দিয়ে বালিয়াড়িতে গর্ত খুঁড়ে সেটিকে পুঁতে ফেলার চেষ্টা করা হয়।
দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, শনিবার (গত) রাতে তিমিটিকে বালুর নিচে চাপা দেয়া হয়েছিল।
তবে পরদিন জোয়ারের তীব্র স্রোতে সেটি আবার বালিয়াড়ি থেকে বের হয়ে আসে। বর্তমানে তিমিটি পচে যাওয়ায় আশপাশের এলাকায় অসহনীয় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে বলেও তিনি জানান।
এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পদোন্নতির কারণে বদলি হয়েছেন এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ছুটিতে রয়েছেন। পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করলেও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।
এলাকাবাসীর আশঙ্কা, তীব্র গরমে তিমির পচা দেহ থেকে সৃষ্ট দুর্গন্ধ ও জীবাণু জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই দ্রুত গভীর গর্ত খুঁড়ে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে তিমিটিকে মাটিচাপা দিয়ে সমস্যা সমাধানে জেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
অর্থ-বাণিজ্য: ব্রয়লার মুরগির দাম আরও এক দফা বেড়ে দাঁড়ালো ২২০ টাকা
নগর-মহানগর: ঈদে রেলের টিকেট পেয়েছে ৩৬ হাজার
অর্থ-বাণিজ্য: স্বর্ণের বাজারে টানা তিনদিন দরপতন