সারাদেশে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩ হাজার ৬শ’ ৯৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তার মধ্যে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে ১,১৭৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ২ হাজার ৫শ’ ২০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
এ নিয়ে গত বছরের ১ নভেম্বর থেকে সোমবার পর্যন্ত শীতজনিত রোগে মোট হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ২২ হাজার ৭৬ জন। তার মধ্যে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে ৩৭ হাজার ২শ’ ৭৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে ৫০ জন। আর ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ৮৪ হাজার ৮০৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে ৬ জন। মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ্ ইমার্জেন্সি ও কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডা. জাহিদুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছে। তবে যারা হাসপাতালে ভর্তি না হয়ে বাসাবাড়িতে চিকিৎসাধীন আছেন তাদের সংখ্যা জানা গেলে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ঢাকা বিভাগে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে মোট আক্রান্ত ১১ হাজার ১৮ এবং মৃত্যু ২। ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ১২ হাজার ১৩৭।
ময়মনসিংহ বিভাগে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে হাসপাতালে মোট ভর্তি ২৩শ’ ২৬ জন এবং মৃত্যু ১৩। ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ৫ হাজার ১৬৩ জন।
চট্টগ্রাম বিভাগে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে মোট আক্রান্ত ৯ হাজার ৮১৩ জন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ১৮ জন। ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ২৯ হাজার ৫৭৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে ৬ জন।
রাজশাহী বিভাগে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে মোট হাসপাতালে ভর্তি ১৫শ’ ৪ জন। ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি ৯,৩৯৫ জন। রংপুর বিভাগে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে মোট হাসপাতালে ভর্তি ২,০৫০ জন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে ৬ জন। ডায়রিয়ায় হাসপাতালে ভর্তি ৬,৫২৩ জন। খুলনা বিভাগে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি ৫ হাজার ৩শ’ ৭২ জন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে ৭ জন। ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি ১১ হাজার ৩৩৪ জন। বরিশাল বিভাগে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে আক্রান্ত ১,১৬৭ জন ও ডায়রিয়ায় ৩১শ’ ৯১ জন ভর্তি আছে। সিলেট বিভাগে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণে হাসপাতালে ভর্তি ৪,০২৩ জন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে ৪ জন। একই বিভাগে ডায়রিয়াজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি ৭,৫০৩ জন।
এভাবে প্রতিদিন শীতজনিত নিউমোনিয়া, ডায়রিয়াসহ নানা রোগে শিশু থেকে বয়স্করা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। অনেকেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারাও গেছেন।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতে শিশুরা ঠাণ্ডাজনিত রোগে বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ে। আবার অনেকেই সর্দি, কাশি, জ্বরসহ ঠাণ্ডাজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। হাসপাতালগুলোর বহিঃবিভাগে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।
ঢাকার বাইরে যে সব জেলায় বেশি শীত পড়ে, সেসব জেলায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও বেশি। শিশুদেরকে শীত থেবে বাঁচাতে গরম কাপড় পড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
অপরাধ ও দুর্নীতি: ঘটনাস্থল মানিকগঞ্জ: হাসপাতালে নারী ‘ধর্ষণ’, ২ আনসার সদস্য আটক
অপরাধ ও দুর্নীতি: অর্থ আত্মসাৎ: কক্সবাজারের সাবেক মেয়র আবছারের ৫ বছর কারাদণ্ড