স্বচ্ছ জলে শিলা-পাথর আর পাহাড়ের নৈসর্গিক মিলন

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

হাবিবুর রহমান, বান্দরবান থেকে ফিরে;

সুউচ্চ পাহাড়। নদী ঝরনা আর স্বচ্ছ জলধারা। কোথাও দেখা যাচ্ছে পাহাড়ের সাথে মেঘের লুকোচুরি। আবার কোথাও সবুজ গাছ যেন পাহাড়ের গাঁয়ে হেলান দিয়ে আছে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে। যাত্রা পথের সৌন্দর্য এমনই নয়নাভিরাম। বলছিলাম বান্দরবানের বোয়াংছড়ির দেবতা খুমের কথা।

নিরাপত্তা জনিত কারণে প্রায়ই বন্ধ থাকলেও, বর্তমানে পর্যটকদের জন্য স্থানটি পুনরায় উন্মুক্ত করা হয়েছে।

https://sangbad.net.bd/images/2026/February/04Feb26/news/photo_2026-02-03_12-02-15.jpg

স্থানীয় পাহাড়িদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বান্দরবানের দেবতাখুম হলো রোয়াংছড়ি উপজেলায় অবস্থিত। এটি একটি নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক জলাধার বা ‘খুম’। যা দুই পাশে উঁচু পাহাড় আর স্বচ্ছ পানির জন্য বিখ্যাত। এখানে ভেলায় ভেসে ভ্রমণের রোমাঞ্চ উপভোগ করা যায়। এটি অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীদের জন্য দারুণ একটি জায়গা।

https://sangbad.net.bd/images/2026/February/04Feb26/news/photo_2026-02-03_12-02-00.jpg

এরইমধ্যে ভীড় জমাতে শুরু করেছে অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীরা। টাঙ্গাইলের মধুপুর থেকে ঘুরতে আসা পর্যটক লিয়াকত হোসেন জনী। তিনি বলেন, চারদিকে শীলা পাহাড়ে মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়া দেবতাখুম আর পাহাড়ের মধ্যে এমন ঝরণার দৃশ্য সত্যিই মনমুগ্ধকর।

পাহাড়ি দোকানীরা জানালেন, শীতকালে প্রচুর পর্যটক আসে স্থানটিতে। খুমের কাছে পাথরের উপরে তারা বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রীর বেচাকেনা করে থাকে। সকাল আটটায় থেকে বিকাল অবধি চলে এই পসরা। আর এতেই দিব্বি চলে যাচ্ছে সংসারের খরচ।

কিভাবে যাবেন: দেশের যেকোনো স্থান থেকে বান্দরবান শহর আসতে হবে। সেখান থেকে রোয়াংছড়ি যেতে হয় সিএনজি বা চান্দের গাড়িতে। দুরত্ব প্রায় ২০ কিলোমিটার। রোয়াংছড়ি থেকে শীলবাঁধা পাড়া পর্যন্ত গিয়ে সেখান থেকে গাইড নিয়ে শুরু হয় পায়ে হাঁটা যাত্রা।

আবশ্যক

স্থানীয়রা জানালেন, নিরাপত্তা কারণে দেবতাখুম মাঝে মাঝে বন্ধ থাকে। ভ্রমণের আগে স্থানীয় প্রশাসন বা ট্যুর অপারেটরের কাছ থেকে খবরের সত্যতা যাচাই করে নিতে হবে। যাওয়ার জন্য স্থানীয় গাইড আবশ্যক এবং তাদের সহযোগিতা নিয়ে ভ্রমণ করা নিরাপদ।

‘সারাদেশ’ : আরও খবর

সম্প্রতি