তারাগঞ্জ (রংপুর) : হিন্দু পরিবারের জমি দখল করে এভাবেই নির্মাণ করা হচ্ছে ৫ তলা ভবন -সংবাদ
রংপুর জেলার তারাগঞ্জ উপজেলায় কয়েকটি সংখ্যালঘু পরিবারের জমি জোরপূর্বক দখলের পায়তারা করছে একটি প্রভাবশালী কুচক্রীমহল মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় সংখ্যালঘু পরিবারগুলো ২০১৫ সালে রংপুর জজকোর্টে মামলা দায়ের করার পর আজ পর্যন্ত কোন প্রকার শুরাহা না পেয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে মর্মে অভিযোগ উঠেছে। আদালতে মামলা চলমান থাকার পরেও প্রভাবশালী মহলটি সংখ্যালঘু পরিবারকে নানা প্রকার হুমকিধামকি দিয়ে আইন অমান্য করে ৫ তলা ভবন নির্মাণের কাজ অব্যাহত রেখেছে। এতে আইনশৃঙ্খলার বিঘ্ন সৃষ্টি হতে পারে বলে মন্তব্য করছে এলাকার সুধী সমাজের লোকজন।
সরেজমিনে গিয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার হাড়িয়াকুঠি ইউনিয়নের মেনানগর বানিয়াপাড়া গ্রামের শশাধর বর্মন এর ছেলে রজনীকান্ত রায় গংদের পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া উপজেলার ঘনিরামপুর মৌজাস্থ প্রায় ১৫ একর জমি একটি প্রভাবশালী মহল জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করলে তারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে রংপুর আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের করার পর প্রতিপক্ষরা আরও বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠে কিছুদিন যেতে না যেতে নানা প্রকার হুমকিধামকি দিয়ে মামলারত জমিতে ৫ তালা ভবনের কাজ শুরু করছে। ফলে ওই সংখ্যালঘু পরিবারগুলো চরম নিরাপত্তাহীনতায় পড়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রজনীকান্ত রায় সাংবাদিকের জানান, আমার বাবা গত ২০১৫ সালে যুগ্ম-জেলা দায়রা জজ-১ রংপুর আদালতে মামলা দায়ের করেন, আমার বাবার মৃত্যুর পর ওয়ারিশ সূত্রে আমি নিয়মিত মামলার হাজিরা দিয়ে আসছি। এ অবস্থায় মামলাটি তারাগঞ্জ সহকারী-জজ আদালতে চলমান রয়েছে যার মামলা নম্বর- অন্য ৮৭/২১ মামলা চলমান থাকা অবস্থায় প্রতিপক্ষরা কৌশলে জমি দখলে নিতে আদালতের আদেশ অমান্য করে ২৪ নম্বর বিবাদী ফাতেমা জোহরা ৫ তলা ভবন নির্মাণের কাজ অব্যাহত রেখেছেন।
অভিযুক্ত ফাতেমা জোহরা বলেন, আদালতের রায় পেলে জমি ছেড়ে দেব। এলাকাবাসী ন্যায়বিচারের দাবি করে সংখ্যালঘু পরিবারগুলোর জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কছে জোরদাবি জানিয়েছেন।
তারাগঞ্জ থানার ওসি ফারুক আহম্মেদ বলেন, নিরাপত্তাহীনতায় সংখ্যালঘু পরিবার এ রকম কোন অভিযোগ পাইনি। আভিযোগ পেলে সরেজমিনে তদন্ত করে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
তারাগঞ্জ (রংপুর) : হিন্দু পরিবারের জমি দখল করে এভাবেই নির্মাণ করা হচ্ছে ৫ তলা ভবন -সংবাদ
শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১
রংপুর জেলার তারাগঞ্জ উপজেলায় কয়েকটি সংখ্যালঘু পরিবারের জমি জোরপূর্বক দখলের পায়তারা করছে একটি প্রভাবশালী কুচক্রীমহল মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় সংখ্যালঘু পরিবারগুলো ২০১৫ সালে রংপুর জজকোর্টে মামলা দায়ের করার পর আজ পর্যন্ত কোন প্রকার শুরাহা না পেয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে মর্মে অভিযোগ উঠেছে। আদালতে মামলা চলমান থাকার পরেও প্রভাবশালী মহলটি সংখ্যালঘু পরিবারকে নানা প্রকার হুমকিধামকি দিয়ে আইন অমান্য করে ৫ তলা ভবন নির্মাণের কাজ অব্যাহত রেখেছে। এতে আইনশৃঙ্খলার বিঘ্ন সৃষ্টি হতে পারে বলে মন্তব্য করছে এলাকার সুধী সমাজের লোকজন।
সরেজমিনে গিয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার হাড়িয়াকুঠি ইউনিয়নের মেনানগর বানিয়াপাড়া গ্রামের শশাধর বর্মন এর ছেলে রজনীকান্ত রায় গংদের পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া উপজেলার ঘনিরামপুর মৌজাস্থ প্রায় ১৫ একর জমি একটি প্রভাবশালী মহল জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করলে তারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে রংপুর আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের করার পর প্রতিপক্ষরা আরও বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠে কিছুদিন যেতে না যেতে নানা প্রকার হুমকিধামকি দিয়ে মামলারত জমিতে ৫ তালা ভবনের কাজ শুরু করছে। ফলে ওই সংখ্যালঘু পরিবারগুলো চরম নিরাপত্তাহীনতায় পড়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রজনীকান্ত রায় সাংবাদিকের জানান, আমার বাবা গত ২০১৫ সালে যুগ্ম-জেলা দায়রা জজ-১ রংপুর আদালতে মামলা দায়ের করেন, আমার বাবার মৃত্যুর পর ওয়ারিশ সূত্রে আমি নিয়মিত মামলার হাজিরা দিয়ে আসছি। এ অবস্থায় মামলাটি তারাগঞ্জ সহকারী-জজ আদালতে চলমান রয়েছে যার মামলা নম্বর- অন্য ৮৭/২১ মামলা চলমান থাকা অবস্থায় প্রতিপক্ষরা কৌশলে জমি দখলে নিতে আদালতের আদেশ অমান্য করে ২৪ নম্বর বিবাদী ফাতেমা জোহরা ৫ তলা ভবন নির্মাণের কাজ অব্যাহত রেখেছেন।
অভিযুক্ত ফাতেমা জোহরা বলেন, আদালতের রায় পেলে জমি ছেড়ে দেব। এলাকাবাসী ন্যায়বিচারের দাবি করে সংখ্যালঘু পরিবারগুলোর জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কছে জোরদাবি জানিয়েছেন।
তারাগঞ্জ থানার ওসি ফারুক আহম্মেদ বলেন, নিরাপত্তাহীনতায় সংখ্যালঘু পরিবার এ রকম কোন অভিযোগ পাইনি। আভিযোগ পেলে সরেজমিনে তদন্ত করে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।