মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটেছে। এবার বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে বড় ধরনের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এবং ইরানের ফারস নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। আইআরজিসি সংশ্লিষ্ট ফারস নিউজ এজেন্সির প্রকাশিত ফুটেজে দেখা গেছে, রকেটের একটি বিশাল বহর দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানছে। তাদের দাবি অনুযায়ী: বাহরাইনের শেখ ইসা অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন কমান্ড এবং স্টাফ বিল্ডিংটি হামলায় পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ঘাঁটির বিশাল জ্বালানি ট্যাঙ্কগুলোতে বিস্ফোরণ ঘটে এবং ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়। এর আগে বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন-পরিচালিত একটি নৌঘাঁটি থেকেও কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী উড়তে দেখা গেছে।
এই ভয়াবহ হামলার বিষয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন বা হোয়াইট হাউস এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক জরুরি নির্দেশনায় বাহরাইনসহ মধ্যপ্রাচ্যের এক ডজন দেশ থেকে মার্কিন নাগরিকদের অবিলম্বে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, গত শনিবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হওয়ার পর ইরান যে প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, এটি তারই অংশ।
তেহরান বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে মূল লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বেছে নিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আগেই সতর্ক করেছিলেন যে, এই যুদ্ধ এক মাসের বেশি দীর্ঘ হতে পারে এবং মার্কিন সেনাবাহিনী দীর্ঘমেয়াদী লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। বাহরাইনের এই হামলা সেই সংঘাতকে আরও অনির্দিষ্টকালের জন্য উসকে দিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সারাদেশ: সুনামগঞ্জে সার বিক্রেতাদের মানববন্ধন
অর্থ-বাণিজ্য: মধ্যপ্রাচ্য সংকট দেশের রপ্তানি খাতে নতুন হুমকি
অর্থ-বাণিজ্য: দেশের বিমানবন্দরগুলোতে পচে যাচ্ছে পণ্য