তীব্র খরায় বৃষ্টি না হওয়াতে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার নদী নালা, খাল বিল শুকিয়ে গেছে। এছাড়া পানি উঠছে না টিউবয়েলে। এমনকি কোন কোন গ্রামে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর বেশি নিচে নেমে যাওয়ায় পাম্পের মাধ্যমেও পানি তোলা সম্ভব হচ্ছে না। নদী নালা, খাল বিল শুকিয়ে যাওয়ায় বোরো জমিতে সেচের জন্য তোলা হচ্ছে ভূগর্ভস্থ পানি। হবিগঞ্জ জেলার ৯টি উপজেলায় ৩ হাজার ৩৬৮টি সেচ প্রকল্পে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। যার মধ্যে ৩ হাজারের অধিক প্রকল্পে পানি উঠছে মাটির নিচ থেকে। স্থানীয়রা বলেন, বিভিন্ন হাওরে গ্রামের কৃষি জমিতে বসানো শক্তিশালী সেচ প্রকল্পগুলো ভূগর্ভস্থ’ পানি টেনে নিচ্ছে। যে কারণে গ্রামের নলকূপগুলোতে পানি ওঠছে না। এছাড়া এ উপজেলায় তীব্র খরায় ও দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়াতে পানির লেয়ার শুকিয়ে গেছে। বাসা বাড়িতে পানির হাহাকার পানি শূন্যতায় ভুগছে। চুনারুঘাট উপজেলার হরিহরপুর গ্রামের নুরুল ইসলাম বলেন, আমাদের এলাকায় খোয়াই নদী থাকার সত্ত্বেও গ্রামের চারপাশে অনেকগুলো সেচ প্রকল্প বসানো হয়েছে। এগুলো মাটির নিচ থেকে পানি টেনে নেওয়ায় গ্রামের টিউবওয়েলগুলোতে পানি উঠছে না। চুনারুঘাট উপজেলার কাচুয়া গ্রামের জসিম উদ্দিন বলেন, গ্রামের কোন টিউবওয়েলেই পানি ওঠে না। কয়েকবছর পর হয়ত আর পানিই মিলত না। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিন মিয়া জানান, চুনারুঘাট তো এমনিতেই উঁচু এলাকা লেয়ার নিচে নেমে যায় এজন্য পানির সমস্যা, যারা টিউবয়েল বসাচ্ছে তারা যে লেয়ারে পানি পাওয়া যায় সেই লেয়ারে বসালেই হয়।
অপরাধ ও দুর্নীতি: ঘটনাস্থল মানিকগঞ্জ: হাসপাতালে নারী ‘ধর্ষণ’, ২ আনসার সদস্য আটক
অপরাধ ও দুর্নীতি: অর্থ আত্মসাৎ: কক্সবাজারের সাবেক মেয়র আবছারের ৫ বছর কারাদণ্ড