দীর্ঘ সাত মাস ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অফিস সহায়ক (এমএলএসএস) মাসুদ রানা। কর্তৃপক্ষের কারণ দর্শানোর নোটিসকে উপেক্ষা করে ২০২৪ সালের ৩১ আগস্ট তারিখের পর তিনি একদিনও অফিসে আসেননি বলে জানা গেছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গাইবান্ধা সদরের প্রয়াত বীরমুক্তিযোদ্ধা রাজা মিয়ার ছেলে মো. মাসুদ রানা। পিতার মুক্তিযোদ্ধা কোঠায় ২০১০ সালে অফিস সহায়ক পদে চাকরি পান। ওই বছরের ৩ অক্টোবর গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদান করেন তিনি। দীর্ঘদিন বিভিন্ন স্টেশনে চাকরি করে পূর্বের কর্মস্থল সুন্দরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে বদলি হয়ে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে তিনি চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন সময়ে বিনা ছুটিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলেও বর্তমানে ৭ মাস ধরে কর্মস্থলে আসছেন না মাসুদ রানা। এরইমধ্যে বিভিন্ন ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের নিকট তিনি বিভিন্ন অজুহাতে বেশ কিছু অর্থ ধার নিয়েছেন বলেও জানা গেছে।
চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে ১০ দিনেরও বেশি সময় ধরে ছুটি কিংবা অনুমতি ছাড়াই অফিসে অনুপস্থিত ছিলেন মাসুদ রানা। এরপর ১৮ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত অফিসে দস্তখত করলেও ১ সেপ্টেম্বর থেকে তিনি নিরুদ্দেশ রয়েছেন। অফিস বিভিন্নভাবে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পায়নি। ৭ মাস ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় কর্তৃপক্ষ তাকে ২০২৪ সালের ১৭ অক্টোবর, ৩০ নভেম্বর এবং ২০ ডিসেম্বর ৩ দফায় কারন দর্শানোর নোটিস প্রদান করলেও তিনি কোনো জবাব দেননি কিংবা কর্মস্থলে উপস্থিত হননি। গত ৭ মাস ধরে অনুপস্থিত অফিস সহায়ক মাসুদ রানার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হিসাবরক্ষক মো. শামসুর রহমান জানান, অফিস সহায়ক মাসুদ রানা গতবছরের ১ সেপ্টেম্বর তারিখ থেকে অনুপস্থিত থাকায় বর্তমানে তাকে মাসিক বেতন দেওয়া হচ্ছে না। দীর্ঘদিন ধরে একজন অফিস সহায়ক না থাকায় কাজে বিঘ্নতার সৃষ্টি হচ্ছে। চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমিনুল ইসলাম জানান, অফিস সহায়ক মাসুদ রানা কর্মস্থলে উপস্থিত না থাকার বিষয়ে তাকে ৩ বার কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়েও আমরা তার কোনো জবাব পাইনি। বিষয়টি পরে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫
দীর্ঘ সাত মাস ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অফিস সহায়ক (এমএলএসএস) মাসুদ রানা। কর্তৃপক্ষের কারণ দর্শানোর নোটিসকে উপেক্ষা করে ২০২৪ সালের ৩১ আগস্ট তারিখের পর তিনি একদিনও অফিসে আসেননি বলে জানা গেছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গাইবান্ধা সদরের প্রয়াত বীরমুক্তিযোদ্ধা রাজা মিয়ার ছেলে মো. মাসুদ রানা। পিতার মুক্তিযোদ্ধা কোঠায় ২০১০ সালে অফিস সহায়ক পদে চাকরি পান। ওই বছরের ৩ অক্টোবর গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদান করেন তিনি। দীর্ঘদিন বিভিন্ন স্টেশনে চাকরি করে পূর্বের কর্মস্থল সুন্দরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে বদলি হয়ে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে তিনি চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন সময়ে বিনা ছুটিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলেও বর্তমানে ৭ মাস ধরে কর্মস্থলে আসছেন না মাসুদ রানা। এরইমধ্যে বিভিন্ন ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের নিকট তিনি বিভিন্ন অজুহাতে বেশ কিছু অর্থ ধার নিয়েছেন বলেও জানা গেছে।
চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে ১০ দিনেরও বেশি সময় ধরে ছুটি কিংবা অনুমতি ছাড়াই অফিসে অনুপস্থিত ছিলেন মাসুদ রানা। এরপর ১৮ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত অফিসে দস্তখত করলেও ১ সেপ্টেম্বর থেকে তিনি নিরুদ্দেশ রয়েছেন। অফিস বিভিন্নভাবে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পায়নি। ৭ মাস ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় কর্তৃপক্ষ তাকে ২০২৪ সালের ১৭ অক্টোবর, ৩০ নভেম্বর এবং ২০ ডিসেম্বর ৩ দফায় কারন দর্শানোর নোটিস প্রদান করলেও তিনি কোনো জবাব দেননি কিংবা কর্মস্থলে উপস্থিত হননি। গত ৭ মাস ধরে অনুপস্থিত অফিস সহায়ক মাসুদ রানার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হিসাবরক্ষক মো. শামসুর রহমান জানান, অফিস সহায়ক মাসুদ রানা গতবছরের ১ সেপ্টেম্বর তারিখ থেকে অনুপস্থিত থাকায় বর্তমানে তাকে মাসিক বেতন দেওয়া হচ্ছে না। দীর্ঘদিন ধরে একজন অফিস সহায়ক না থাকায় কাজে বিঘ্নতার সৃষ্টি হচ্ছে। চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমিনুল ইসলাম জানান, অফিস সহায়ক মাসুদ রানা কর্মস্থলে উপস্থিত না থাকার বিষয়ে তাকে ৩ বার কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়েও আমরা তার কোনো জবাব পাইনি। বিষয়টি পরে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।