ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
এনজিও ঋণে জর্জরিত হয়ে দুমকির পীরতলা বাজারের চা ব্যবসায়ী মো. ইলিয়াস খান (৪৫) নিজ বসতঘরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন। শনিবার বিকেল ৪টায় দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ঝাটারা গ্রামের খান বাড়িতে এই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে।
সূত্র জানায়, দুমকির পীরতলা বাজারে জিহাদ স্টোর নামে স্বামী/স্ত্রী একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিল। প্রতিদিনের ন্যায় স্ত্রী তাসলিমা দোকানে আসলে স্বামী ইলিয়াস দুপুরের খাবার খেতে বাড়িতে যায়। খাবার খেয়ে রুমের দরজা আটকিয়ে গলায় ওড়না পেচিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যা করে। পরে পার্শ্ববর্তী লোকজন পুলিশকে খবর দিলে দুমকি থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
স্ত্রী তাসলিমা বেগম বলেন, কমপক্ষে ১৫-২০টা এনজিওর কিস্তি ছিল। সপ্তাহে শুক্রবার ব্যতীত প্রতিদিন দুই-তিনটা এনজিওর কিস্তি নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভুগছিল এবং মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল। এছাড়া অন্য কোনো কারণ দেখছিনা। দুমকি থানার ওসি (তদন্ত) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
রোববার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
এনজিও ঋণে জর্জরিত হয়ে দুমকির পীরতলা বাজারের চা ব্যবসায়ী মো. ইলিয়াস খান (৪৫) নিজ বসতঘরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন। শনিবার বিকেল ৪টায় দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ঝাটারা গ্রামের খান বাড়িতে এই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে।
সূত্র জানায়, দুমকির পীরতলা বাজারে জিহাদ স্টোর নামে স্বামী/স্ত্রী একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিল। প্রতিদিনের ন্যায় স্ত্রী তাসলিমা দোকানে আসলে স্বামী ইলিয়াস দুপুরের খাবার খেতে বাড়িতে যায়। খাবার খেয়ে রুমের দরজা আটকিয়ে গলায় ওড়না পেচিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যা করে। পরে পার্শ্ববর্তী লোকজন পুলিশকে খবর দিলে দুমকি থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
স্ত্রী তাসলিমা বেগম বলেন, কমপক্ষে ১৫-২০টা এনজিওর কিস্তি ছিল। সপ্তাহে শুক্রবার ব্যতীত প্রতিদিন দুই-তিনটা এনজিওর কিস্তি নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভুগছিল এবং মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল। এছাড়া অন্য কোনো কারণ দেখছিনা। দুমকি থানার ওসি (তদন্ত) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।