গত ২০১৯ সালের ৩০ নভেম্বর এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করে রোববার, (৩০ নভেম্বর ২০২৫) দুপুরে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দিয়েছে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম। সাথে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে আদালত। জরিমানার টাকা ভিকটিম প্রাপ্ত হইবেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম মো. মাজমত আলী ওরফে মাজা (৪১)। সে জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম কামালের বাট্টি গ্রামের ইরফান আলীর ছেলে।
মামলার পিপি অ্যাডভোকেট মো. ফজলুল হক জানান, মো. মাজমত আলী ওরফে মাজা, ২৮ বছর বয়সী এক তালাকপ্রাপ্তা নারীকে বিয়ের জন্য প্রলুব্ধ করে এবং একই গ্রামে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক অব্যাহত রাখে। ২০ জুলাই, ২০১৯ রাতে মাজমত তাকে আবার ধর্ষণ করে।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী গর্ভবতী হয়ে পড়েন এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ তারিখে বকশীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ মাজমতের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
শিশু আদালত-১ (জেলা ও দায়রা জজ) এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম ৭ জন সাক্ষী এবং প্রামাণ্য দলিল পরীক্ষা করে তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন এবং তার অনুপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করেন।
সরকার পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মো. ফজলুল হক বলেন, মামলার রায়ে শিশু আদালত-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম ৭ জন সাক্ষী এবং প্রামাণ্য দলিল পরীক্ষা করেন।
সরকার পক্ষের আইনজীবী ছিলেন এডভোকেট মো. ফজলুল হক এবং আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন এডভোকেট বাকী বিল্লাহ।
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
রোববার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
গত ২০১৯ সালের ৩০ নভেম্বর এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করে রোববার, (৩০ নভেম্বর ২০২৫) দুপুরে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দিয়েছে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম। সাথে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে আদালত। জরিমানার টাকা ভিকটিম প্রাপ্ত হইবেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম মো. মাজমত আলী ওরফে মাজা (৪১)। সে জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম কামালের বাট্টি গ্রামের ইরফান আলীর ছেলে।
মামলার পিপি অ্যাডভোকেট মো. ফজলুল হক জানান, মো. মাজমত আলী ওরফে মাজা, ২৮ বছর বয়সী এক তালাকপ্রাপ্তা নারীকে বিয়ের জন্য প্রলুব্ধ করে এবং একই গ্রামে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক অব্যাহত রাখে। ২০ জুলাই, ২০১৯ রাতে মাজমত তাকে আবার ধর্ষণ করে।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী গর্ভবতী হয়ে পড়েন এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ তারিখে বকশীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ মাজমতের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
শিশু আদালত-১ (জেলা ও দায়রা জজ) এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম ৭ জন সাক্ষী এবং প্রামাণ্য দলিল পরীক্ষা করে তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন এবং তার অনুপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করেন।
সরকার পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মো. ফজলুল হক বলেন, মামলার রায়ে শিশু আদালত-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম ৭ জন সাক্ষী এবং প্রামাণ্য দলিল পরীক্ষা করেন।
সরকার পক্ষের আইনজীবী ছিলেন এডভোকেট মো. ফজলুল হক এবং আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন এডভোকেট বাকী বিল্লাহ।