image

বর্ষবরণে আতশবাজি কেনো?

বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬
রাশেদ আহমেদ

আতশবাজির উৎপত্তি প্রাচীন চীনে। খ্রীষ্ট পূর্বে সেখানে হান রাজবংশের সময় বাঁশের কাণ্ড আগুনে ছুঁড়ে আওয়াজ করা হত, যা পরে বারুদ ও রাসায়নিক পদার্থের মিশ্রণে রঙিন ও বৈচিত্র্যময় আতশবাজিতে পরিণত হয়; নবম শতকে চীনারা বারুদ আবিষ্কারের পর থেকেই এটি উৎসবের অঙ্গ হয়ে ওঠে, যা পরবর্তীতে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে, বিশেষত সামরিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এর ব্যবহার শুরু হয়।

চীনারা বারুদ (পটাশিয়াম নাইট্রেট, কাঠকয়লা ও সালফারের মিশ্রণ) আবিষ্কার করলে, এটিকে বাঁশের মধ্যে ভরে বা ছোট পাত্রে ভরে শব্দের অনুকরণ করা শুরু হয়। পরে রাসায়নিক পদার্থ যোগ করে বিভিন্ন রঙের ধোঁয়া ও শিখা তৈরি করা হয়, যা চতুর্দশ শতাব্দীর "হুলোংজিং" (Huolongjing) গ্রন্থেও বলা আছে।

নবম শতকে চীনারা আতশ তৈরি শুরু করলেও, চতুর্দশ শতাব্দীতে এটি ইউরোপে পৌঁছায় এবং সপ্তদশ শতাব্দীতে জনপ্রিয়তা লাভ করে। 

বারুদ আবিষ্কারের পর, এটি শুধু শব্দ তৈরির পরিবর্তে আলো, ধোঁয়া ও বিভিন্ন রঙ সৃষ্টিতে ব্যবহৃত হতে শুরু করে। মূলত চারটি প্রাথমিক রূপ আছে আতশবাজির, শব্দ, আলো, ধোঁয়া এবং ভাসমান উপকরণ। এগুলো রঙিন শিখা যেমন লাল, কমলা, হলুদ, সবুজ, নীল, বেগুনি এবং সিলভার সহ নানান রঙের ঝলক (বৈদ্যুতিক স্পার্কের মতো) সৃষ্টি করতে সক্ষম।

সামরিক কাজে ব্যবহৃত রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র থেকেও আতশবাজির ধারণা আসে এবং ধীরে ধীরে এটি উৎসব ও উদযাপনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে।

‘সারাদেশ’ : আরও খবর

» তেঁতুলিয়ায় অস্তিত্ব না থাকা স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদ্রাসা চালু করার তৎপরতা বেড়েই চলছে

সম্প্রতি