আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনের মধ্যে তিনটি আসনের মনোনয়নপত্র শনিবার যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। এতে ২৯ জন প্রার্থীর মধ্যে রাষ্ট্রসংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ুমসহ ১০ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনে ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে চারজনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরযুক্ত তালিকায় তথ্যের গড়মিল থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুর রহিম মোল্লা ও অন্য স্বতন্ত্র নারী প্রার্থী রেহা কবিরের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শাহীন রেজা চৌধুরী বাদ পড়েছেন। হলফনামা সঠিক ফরম্যাটে দাখিল না করা এবং তথ্যের গড়মিল থাকায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী খায়রুল ইসলাম ঠাকুরের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনে মোট আটজন প্রার্থীর মধ্যে দুজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
হলফনামায় মামলার তথ্য গোপন করায় বাদ পড়েছেন বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল। আর এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরযুক্ত তালিকায় তথ্যের গড়মিল থাকায় রাষ্ট্রসংস্কার আন্দোলনের সভাপতি স্বতন্ত্র প্রার্থী এএইচএম কাইয়ুমের (হাসনাত কাইয়ুম) মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ার) আসনে ১২ জন প্রার্থীর মধ্যে চারজনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। সম্পদ ও দায় এবং বাৎসরিক আয় ও ব্যয়ের বিবরণী দাখিল না করায় ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) প্রার্থী মো. নজরুল ইসলামের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহের জন্য অর্থপ্রাপ্তির সম্ভাব্য উৎসের বিবরণী, সম্পদ ও দায় এবং বাৎসরিক আয় ও ব্যয়ের বিবরণী দাখিল না করায় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ হাবিল মিয়ার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। সম্পদ ও দায় এবং বাৎসরিক আয় ও ব্যয়ের বিবরণী দাখিল না করায় জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ আয়ুব হুসেনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থনসূচক তালিকায় এক শতাংশের কম ভোটারের সমর্থন থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফুল হক জয়ের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে বলে জানা গেছে।