image
গঙ্গাচড়া (রংপুর): ফুটপাত ও অস্থায়ী দোকানগুলোতে গরম কাপড় কিনতে ভিড় করছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ -সংবাদ

হাড় কাঁপানো শীতে ফুটপাতের দোকানে ক্রেতার ভিড়

সোমবার, ০৫ জানুয়ারী ২০২৬
প্রতিনিধি, গঙ্গাচড়া (রংপুর)

শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় গরম কাপড়ের বাজারে ফিরেছে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্য। প্রতিদিন বিকেল গড়ালেই উপজেলার বিভিন্ন সড়কের ফুটপাত ও অস্থায়ী দোকানগুলোতে গরম কাপড় কিনতে ভিড় করছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ।

ফুটপাতজুড়ে সাজানো দোকানগুলোতে সোয়েটার, জ্যাকেট, হুডি, শিশুদের শীতের পোশাক, শাল ও কম্বলসহ নানা ধরনের গরম কাপড় দেখা যাচ্ছে। ক্রেতাদের ব্যস্ততা চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের গরম কাপড়ের চাহিদা তুলনামূলক বেশি। স্বল্প দামে প্রয়োজনীয় পোশাক পাওয়া যায়, এই আশায় অনেকেই ফুটপাতের দোকানকেই বেছে নিচ্ছেন।

স্থানীয় বিক্রেতারা জানান, শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্রি কিছুটা বেড়েছে। সন্ধ্যার পর ক্রেতার চাপ সবচেয়ে বেশি থাকে। তবে আগের বছরের তুলনায় গরম কাপড়ের দাম কিছুটা বাড়ায় বিক্রিতে কিছুটা প্রভাব পড়ছে বলেও জানান তারা।

ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাজারে গরম কাপড়ের দাম তুলনামূলক সহনীয় হলেও পরিবারের সব সদস্যের জন্য কেনাকাটা করতে গিয়ে অনেককেই হিমশিম খেতে হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, শীতের প্রকোপ আরও বাড়লে গঙ্গাচড়ার ফুটপাতের গরম কাপড়ের বাজারে ক্রেতার ভিড় আরও বাড়বে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার বলেন, শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিভিন্ন ইউনিয়নে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে ট্যাগ কর্মকর্তার উপস্থিতিতে শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন করে উপকারভোগীদের জন্য অতিরিক্ত শীতবস্ত্র কম্বলের চাহিদা জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে আরও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে।

মোহনগঞ্জে শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন

প্রতিনিধি, মোহনগঞ্জ (নেত্রকোণা) থেকে জানান, ষড়ঋতুর রঙ্গশালার দেশ বাংলাদেশ। এক একটি ঋতু আসে বিভিন্ন বৈচিত্র্য নিয়ে। ঋতুচক্রে এখন শীতকাল। শীতকালে শীত পড়বে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এবার প্রচণ্ড শীতে জবুথবু দেশ। সাড়া দেশের মতো মোহনগঞ্জে শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন। সকাল গড়িয়ে বিকেল হলেও সূর্যের দেখা নেই। পৌষের কনকনে শীতে কাবু মোহনগঞ্জ। শীতের সঙ্গে হিম শীতল বাতাস শীতের মাত্রাকে বাড়িয়ে তুলছে। কুয়াশার আস্তরণে ঢাকা চারদিক। শীতে বেশি কাবু হচ্ছে শিশু ও বয়োবৃদ্ধ মানুষ। পাখপাখালির কলরব স্তিমিত। বাড়ছে শীতজনিত রোগবালাই। সর্দি, কাশি, হাঁপানি, নিউমোনিয়ার মতো রোগে আক্রমণ বাড়ছে। ছিন্নমূল মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে। অনেকেই শীত নিবারণে খড়কুটো দিয়ে আগুন পোহাচ্ছে। হাওরে চলছে বোরো আবাদের মৌসুম। প্রচণ্ড শীতে মানুষ হাওরে বোরো আবাদে কষ্ট ভোগ করছে। আছে শ্রমিক সংকট। প্রকৃতির খেয়াল মোহনগঞ্জে জনজীবন নাকাল।

‘সারাদেশ’ : আরও খবর

» ঝিনাইদহে নারীকে ধর্ষণ, গাছে বেঁধে চুল কেটে নির্যাতনের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১

» সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙা কারখানায় দুই শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার

সম্প্রতি