পলাশ উপজেলার কাঁচাবাজার-গুলোতে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বেড়েছে। এতে কমেছে সবজির দাম। যে সমস্ত সবজি ২-৩ সপ্তাহ আগেও ছিল ৮০ টাকা হতে ১২০ টাক। তা কমে এখন অর্ধেকে নেমে এসেছে। এতে ক্রেতাদের মনে এসেছে স্বস্তি। কিন্তু কাঁচামরিচ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ হতে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া প্রায় প্রতিটি সবজির দাম এখন কমে আসায় ক্রেতাদের স্বস্তি ফিরেছে।
গত কয়েকদিনে পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল বড় বাজার, খানেপুর বাজার, পিডিবির নতুন বাজার, ঘোড়াশাল সাদ্দাম বাজার, চরসিন্দুর বাজার ও ডাংগাসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়। ব্যবসায়ীরা জানান, বাজারে সবজির সরবরাহ বেড়েছে, এ কারণে দামও কমেছে।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, আলু ২৫ টাকা, কাঁচামরিচ ৮০ হতে ১২০ টাকা, মুলা ৩০ টাকা, ধুন্দল ৪০ থেকে ৫০ টাকা, , বেগুন ৪০-৫০ টাকা, ফুলকপি ২০ হতে ৩৫ টাক, বাঁধাকপি ৩০, থেকে ৮০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ২৫ টাকা, গাজর ৫০ টাকা, কচুরমুখী ৭০ টাকা, টমেটু ৮০ টাকা, শিম ৪০ থেকে ৬০ টাকা, শালগম ৪০ টাকা ও শসা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা, খিরাই ৬০ টাকা, বরবটি ১২০ টাকা, পেয়াজ ৫৫ টাকা, রশুন ১০০ টাকা, লাউ সাইজ ভেদে ৪০ হতে ৬০ টাকা, লাল শাক আঁটি ১০ টাকা, পালংশাক ১০ টাকা আঁটি, পুঁইশাক কেজি বা আঁটি ৩৫-৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া কেজি ৪০-৪৫ টাকা, ধনেপাতা কেজি ৪০-৫০ টাকা, টমেটো ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
উপজেলার ডাংগা বাজারে বাজার করতে শাহাজাহান মিয়া বলেন, সবজির দাম কমায় জনজীবনে স্বস্তি ফিরে এসেছে। যেসব সবজি কয়দিন আগেও ৮০ হতে ১৪০ টাকায় কিনতাম সেসব এখন কম টাকায় পাচ্ছি। তবে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য কমলে আরও ভালো হতো।
সাদ্দাম বাজারের সবজি বিক্রেতা মাসুদ বলেন, সব ধরনের সবজির সরবরাহ বেড়েছে, শীতকালীন সবজিতে ভরপুর বাজার। টমেটোসহ কয়েকটি সবজির দাম কয়েকদিন পর আরও কমে আসবে।
পলাশের ঘোড়াশাল বাজার কমিটির সেক্রেটারি আবুল কাসেম জানান, বাজারের প্রায় সবজির দামই কমেছে। যতটুকু কমার দরকার ততটুকুই যেন কমে এর বেশি যেন না হয় সেজন্য বাজার মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে।