image
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত

সুন্দরবনে অপহৃত পর্যটক-রিসোর্ট মালিকসহ ৩ জনকে উদ্ধার

প্রতিনিধি, শরণখোলা (বাগেরহাট)

সুন্দরবনের খালে ভ্রমণে গিয়ে অপহৃত দুই পর্যটক ও এক রিসোর্ট পরিচালক কে উদ্ধারের কথা জানিয়েছেন দাকোপ থানা পুলিশ। গতকাল রোববার সন্ধ্যার পর ওই তিনজনকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন খুলনার দাকোপ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুর রহমান। তিনি বলেন, কোস্টগার্ড ও থানা-পুলিশের যৌথ অভিযানে দাকোপের বানিয়াশান্তা ইউনিয়নে অবস্থিত ওই রিসোর্টসংলগ্ন এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়।

এর আগে গত শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে একটি ডিঙি নিয়ে সুন্দরবনের ক্যানেল ক্রুজিংয়ে বেরিয়ে বনদস্যুদের কবলে পড়েন ওই তিনজন। রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবনের (আরও এএস) এক নেতা জানান, সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের ঢাংমারী স্টেশনের ঘাগরামারী টহল ফাঁড়িসংলগ্ন কেনুয়ার খালে ওই ঘটনা ঘটে। অপহরণের পর দস্যু বাহিনীর পরিচয়ে অপহৃত ব্যক্তিদের পরিবারের কাছে মুক্তিপণ হিসেবে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়। অপহৃত ব্যক্তিদের উদ্ধারে শুক্রবার অভিযান শুরু করে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন। অভিযান শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলে কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, অপহৃত ব্যক্তিরা হলেন দুই পর্যটক মো. সোহেল ও জনি এবং গোলকানন রিসোর্টের অন্যতম মালিক ও পরিচালক শ্রীপতি বাছাড়। পর্যটকেরা ঢাকা থেকে ওই রিসোর্টে ঘুরতে এসছিলেন। রিসোর্টটির অবস্থান খুলনার দাকোপ উপজেলার ঢাংমারী নদীপাড়ে। এই নদী সুন্দরবন ও লোকালয়কে আলাদা করেছে; ঢাংমারী নদীর দক্ষিণে সুন্দরবন আর পূর্ব পাড়ে বসতি। সেখানে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় বেশ কিছু ইকো রিসোর্ট গড়ে উঠেছে।

বন বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাংমারী নদী টি ডলফিনের অভয়াশ্রম হিসেবে সংরক্ষিত।

এই নদী হয়ে শাখা কেনুয়ার খালে ঢোকার পরই ‘মাসুম বাহিনী’ নামের একটি বনদস্যু দলের হাতে জিম্মি হন তিনজন। অপহরণকারীরা ওই নৌকা থেকে গোলকানন রিসোর্টের পরিচালক শ্রীপতি বাছাড় এবং ঢাকা থেকে আসা দুই পর্যটক মো. সোহেল ও জনিকে ধরে নিয়ে যায়।

‘সারাদেশ’ : আরও খবর

» পটুয়াখালীতে বাবার ‘অনৈতিক সম্পর্ক’ দেখে ফেলায় মেয়েকে হত্যা

সম্প্রতি