যশোরে গত দশদিন ধরে টানা শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। একদিকে অব্যাহত শীতের দাপট, অন্যদিকে কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় শীতের অনুভূতির মাত্রাও বাড়িয়ে দিচ্ছে কয়েকগুণ। রোববার দিনভর কুয়াশা থাকলেও সোমবার সকালে সূর্যের দেখা মিলেছে। কিন্তু উত্তাপহীন রোদের সাথে উত্তরের বাতাস যুক্ত হওয়ায় হাড়কাঁপানো শীত বিরাজ করছে। সোমবার যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিনে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গায় ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত দশদিন ধরেই যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে।
যশোর বিমান বাহিনীর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সোমবার ভোরে যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়, ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রোববার যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে শনিবার ভোরে যশোরে সর্বনিম্ন ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। আর শুক্রবার ভোরে যশোরে সর্বনিম্ন ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার এই তাপমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই দু’দিনই এই তাপমাত্রা ছিল দেশের সর্বনিম্ন। এর আগে গত শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) ও শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল যশোরে। শুক্রবার ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও শনিবার ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। গত দশদিন ধরেই যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ ডিগ্রি থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়ামের মধ্যে নেমে আসলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, ৬ দশমিক ১ ডিগ্রি থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়ামের মধ্যে নেমে আসলে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ, ৪ দশমিক ১ ডিগ্রি থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়ামের মধ্যে নেমে আসলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ এবং তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়ামের নিচে নেমে গেলে তাকে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।
যশোরে এখন প্রতিদিন রাত থেকেই কুয়াশার জাল ছড়িয়ে পড়ছে চারদিকে। রোববার দিনভর প্রকৃতি কুয়াশার চাদরে ঢাকা ছিল। সোমবার সকালেও কুয়াশায় ঘিরে ছিল চারদিক।