মানুষ-হাতি সংঘাত প্রশমনে বন্যহাতি রক্ষাকল্পে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও বন্যপ্রাণীদ্বারা আক্রান্ত জানমালের ক্ষতিপূরণের চেক প্রদান করা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের আওতাধীন ঈদগাঁও উপজেলার ফুলছড়ি রেঞ্জে অনুষ্ঠিত সভায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রমও বাস্তবায়ন করা হয়। সহকারী বন সংরক্ষক ও ফুলছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. রাশিক আহসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ঈদগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মার্তা মীর কামরুজ্জামান কবির। এসময় তিনি বলেন,বন্যপ্রাণী ও বন্যহাতি সংরক্ষণ আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। নির্বিচারে বন্য প্রাণী হত্যা, ধরা এবং শিকার করা যাবে না। বন্য হাতিদের আঘাত করে নিধন করলে প্রকৃতির ভারসাম্যে বিরাট প্রভাব ফেলবে।
বিশেষ অতিথি ঈদগাঁও রেঞ্জ কর্মকর্তা উজ্জ্বল হোসেন বলেন, কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের পক্ষ থেকে বন্য হাতি রক্ষাকল্পে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আমরা ইতোমধ্যে হাতি বিচরণ করে এমন এলাকায় মাইকিং করেছি। জনগণকে সচেতনতার লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ করছি। বিভিন্ন সভার আয়োজন করে স্থানীয় নেতৃবৃন্দকে সম্পৃক্ত করে জনগণকে বন্য হাতি সংরক্ষণে নিজ নিজ জায়গা থেকে ভূমিকা পালনের আহ্বানও জানাচ্ছি।
সভাপতির বক্তব্যে ফুলছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা ও সহকারী বন সংরক্ষক মোঃ রাশিক আহসান বলেন, সামাজিকভাবে আমাদের সচেতন হয়ে মানুষ ও হাতি সংঘাত প্রশমন এবং বন্য প্রাণী রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে। বন্যহাতি লোকালয়ে চলে আসলে বন বিভাগকে অবগত করুন, তবুও যেন হাতিকে আক্রমণ করা না হয়। বন্যহাতি কর্তৃক কারো প্রাণহানি ঘটলে অথবা কারো ফসল নষ্ট করলে বনবিভাগের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা আছে। আশা করছি সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাসহ পরবর্তী প্রজন্মকে টেকসই বন উপহার দিতে আমরা বন্যহাতি রক্ষার পাশাপাশি সমস্ত বন্যপ্রাণী রক্ষায় স্বতঃস্ফূর্ত অবদান রাখতে পারবো।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: ইউআইটিএসে শুরু হচ্ছে হাল্ট প্রাইজ প্রতিযোগিতা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: ভ্রমণের পেমেন্ট বিকাশ করে গ্রাহকরা জিতে নিলো নেপাল ও কক্সবাজার ট্যুর
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: বিকাশের নতুন উদ্যোগ ‘বি হাইভ’