নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট ও সদরের আংশিক) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী। তার প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে আপিল করেছেন একই আসনের রিপাবলিকান দলীয় প্রার্থী মোহাম্মদ আনিছুল হক। গতকাল বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনে আবেদনটি জমা দিয়েছেন আনিছুল হক।
আবেদন সূত্রে জানা গেছে, জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন নোয়াখালীর কবিরহাট আইডিয়াল হাইস্কুলের এমপিওভুক্ত প্রধান শিক্ষক। তিনি সরকারের কোষাগার থেকে শতভাগ বেতন-ভাতাসহ সুযোগ-সুবিধা পান। তাই সংবিধানের ৬৬ ধারার উপধারা ২ (চ) অনুযায়ী তিনি নির্বাচনের জন্য অযোগ্য বিবেচিত হবেন।
আবেদনকারী মোহাম্মদ আনিছুল হক এ প্রতিনিধিকে বলেন, ৩ জানুয়ারি মনোনয়ন বাছাইয়ের দিন জেলা রিটার্নি কর্মকর্তার কাছে এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু তিনি তা আমলে না নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে আবেদন করার পরামর্শ দিয়েছেন। আমি সরকারের আর্থিক সুবিধাভোগী এ প্রার্থীকে অবৈধ ঘোষণার দাবি জানাই। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সহকারী সচিব মো. জাকির হোসেন আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, মোহাম্মদ আনিছুল হকের দায়ের করা আবেদনটি (নম্বর-২৩০/২৬) গৃহীত হয়েছে। আগামী ১৩ জানুয়ারি এ বিষয়ে শুনানির তারিখ ধার্য্য করা হয়েছে।
নোয়াখালী-৫ আসনে ১১ জন প্রার্থীকে বৈধ ঘোষণা করেছেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। এ সময় বিভিন্ন অসঙ্গতি থাকায় চারজনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়। বৈধ প্রার্থীরা হলেন, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের মোহাম্মদ শামছুদ্দোহা, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আবু নাছের, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) মুন তাহাবেগম, জনতার দলের শওকত হোসেন, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির (বিআরপি) মোহাম্মদ আনিছুল হক, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশর তৌহিদুল ইসলাম, জাতীয় পার্টি খাজা তানভীর আহাম্মদ, খেলাফত মজলিসের আলী আহমদ ও স্বতন্ত্র হাসনা জসীম উদ্দীন মওদুদ।
সারাদেশ: ফিশিং বোটে নিষিদ্ধ ট্রলিং সরঞ্জাম