গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামে বিএডিসি সেচ প্রকল্প (বরদি) এর আওতায় ২০০৮ সালে স্থাপিত একটি অগভীর নলকূপের মাধ্যমে প্রায় ১০০ বিঘা কৃষি জমিতে সেচ সুবিধা দেওয়া হচ্ছিল। তবে সম্প্রতি নদীভাঙনের কবলে পড়ে ওই অগভীর নলকূপটি আলাই নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে করে এলাকার কৃষকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ দেখা দেয়।
পরবর্তীতে কৃষকদের সেচ কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে বিএডিসির অনুমতিক্রমে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে সেখানে ২টি ৫ হর্সপাওয়ারের মটর স্থাপন করা হয়। এসব মটরের মাধ্যমে বর্তমানে নিয়মিত সেচ দেওয়া হচ্ছে, যা কৃষকদের জন্য বড় ধরনের স্বস্তি এনে দিয়েছে। কৃষকরা জানান, এই ব্যবস্থার ফলে বোরো সহ অন্যান্য ফসলের চাষাবাদ নির্বিঘ্নে চালিয়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে।
এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি কুচক্রী মহল বিএডিসির আওতাধীন ঐ সেচ পাম্প দখল করে নেওয়ার উদ্দেশ্যে অপতৎপরতা চালাচ্ছে। তারা বিদ্যমান সেচ সুবিধার খুব কাছাকাছি নতুন করে সেচ লাইসেন্স নেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিএডিসি অফিস সূত্রে জানা যায়, নীতিমালা অনুযায়ী বিদ্যমান সেচ পাম্পের ৭শ৫০ ফিটের মধ্যে নতুন করে কোনো মটর বা সেচ পাম্প স্থাপনের অনুমতি নেই। কিন্তু ঐ কুচক্রী মহল এই নিয়ম অমান্য করে ৭শ৫০ ফিটের ভেতরে সেচ লাইসেন্স নেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে পায়তারা চালাচ্ছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় কৃষকদের আশঙ্কা, নিয়ম বহির্ভূতভাবে নতুন সেচ পাম্প স্থাপন করা হলে বর্তমান সেচ ব্যবস্থায় বিঘ্ন সৃষ্টি হবে এবং কৃষি উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।