টেকনাফ সীমান্তে মায়ানমার থেকে আসা গুলিতে গুরুতর আহত শিশুটি মারা যায়নি; তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
রোববার সকালে উপজেলার হোয়াইক্যং এলাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়া শিশুটির মৃত্যুর খবর প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানালেও পরে সংশোধন করা হয়েছে। হোইয়ক্যাং ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শাহজালাল দুপুরে জানান, শিশুটির মৃত্যুর তথ্যটি সঠিক নয়।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) অলক বিশ্বাস বলেন, শিশুটি গুলিবিদ্ধ হয়েছে। প্রথমে মারা যাওয়ার কথা শোনা গেলেও তা সঠিক নয়। তিনি জানান, শিশুটিকে চট্টগ্রামে মেডিকেলে নেওয়া হচ্ছে এবং এখন পর্যন্ত তার অবস্থায় স্থিতি আছে।
শিশুটির দাদা আবুল হাসেমের বরাতে জানা যায়, নাতনির সঙ্গে থাকা তার ছেলে শওকত জানিয়েছেন, তারা বেলা ১২টার পর উখিয়ার এমএসএফ হাসপাতাল থেকে চট্টগ্রামের পথে রওনা হয়েছেন।
আহত শিশুটি আফনান, বয়স ১০ বছর। সে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের তেচ্ছিব্রিজ এলাকার জসিম উদ্দীনের মেয়ে এবং লম্বাবিল হাজি মোহাম্মদ হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী।
এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ খোকন কান্তি রুদ্র অবরোধের প্রসঙ্গে জানান, সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ শুরু করেছে।
উল্লেখ্য, টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তের ওপারে মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মি ও সেনাবাহিনীর মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ চলছে। গত কয়েকদিন ধরে সীমান্তের ওপারে ব্যাপক গোলাগুলি চলায় বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।