image
কুয়াশায় ঢাকা রংপুর শহর -সংবাদ

রংপুরে শীতজনিত রোগে আরও ৯ জনের মৃত্যু, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পঞ্চগড়ে

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক রংপুর

রংপুরসহ বিভাগের ৮ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত আছে। সেই সঙ্গে হিমেল বাতাস শীতের তীব্রতাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। রোববার, (১১ জানুয়ারী ২০২৬) রংপুর বিভাগের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

অন্যদিকে বিভাগের বাকি ৭ জেলায় ৯-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে তাপমাত্রা নেমে এসেছে।

সূর্যের মুখ দেখা গেলেও সূর্যের কোনো তাপ নেই এবং তা ৩-৪ ঘণ্টার বেশি স্থায়ী হচ্ছে না সূর্যের আলো।

এদিকে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিউমোনিয়া, সর্দি, কোল্ড ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগবালাই ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৫ জন বয়স্ক নারী-পুরুষ ও ৪ জন শিশুসহ ৯ জন শীতজনিত নানান রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের সর্দার অফিসের মমতাজ উদ্দিন।

রংপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল ৬টায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সর্বনি¤œ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি, নীলফামারীর সৈয়দপুরে ১০ ডিগ্রি, কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ১০ ডিগ্রি, দিনাজপুরে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি, রংপুরে ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি, নীলফামারীর ডিমলায় ১০ ডিগ্রি, ঠাকুরগাঁওয়ে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি, লালমনিরহাটে ১০ ডিগ্রি এবং গাইবান্ধায় ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

রংপুর আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মোস্তাফিজার রহমান জানান, রংপুর বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় সূর্যের মুখ দেখা গেলেও তা স্থায়ী থাকছে ২-৩ ঘণ্টা। বেশিরভাগ জেলায় মধ্যরাত থেকে বৃষ্টির মতো কুয়াশা পড়ছে। ফলে সারাদিনই রংপুর বিভাগে হিমেল বাতাস প্রবাহিত হওয়ার কারণে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এদিকে রংপুর বিভাগীয় প্রশাসকের দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রংপুর বিভাগের ৮ জেলার শীতার্ত মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র বরাদ্দের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে চাহিদাপত্র দেয়া হলেও প্রয়োজনের তুলনায় সেরকম কোনো বরাদ্দ আসেনি, বরাদ্দ মিলেছে অনেক কম। বারবার তাগাদা দেয়ার পরও কম্বল বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে না। ফলে শীতবস্ত্রের অভাবে সহায়-সম্বলহীন মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। শীতবস্ত্রের অভাবে সহায়-সম্বলহীন মানুষ খড়কুটা জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে।

এদিকে শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় ভাইরাস জ্বর, নিউমোনিয়া, কোল্ড ডায়রিয়া, সর্দি, শ্বাস কষ্টসহ বিভিন্ন রোগবালাই বৃদ্ধি পেয়েছে। উত্তরাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ চিকিৎসা কেন্দ্র রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আউটডোরে প্রতিদিন শত শত শিশু শীতজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিতে ভিড় করছে। হাসপাতালের আউটডোরে আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে স্বজনরা ভিড় করছে।

‘সারাদেশ’ : আরও খবর

» চকরিয়ায় গাড়ির ধাক্কায় মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি নিহত

» লালমোহনে শিশুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

সম্প্রতি