চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সেনাবাহিনীর হেফাজতে থাকা অবস্থায় পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা টায়ার জ্বালিয়ে ও সড়কে গাছ ফেলে অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে।
জানা গেছে, গতকাল সোমবার রাত ১০টার দিকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে শামসুজ্জামান ডাবলুকে আটকের পর সেনা হেফাজতে নেয়া হয়। তার কিছুক্ষণ পরে জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় জীবননগর উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সড়ক অবরোধ করে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে। বিএনপির নেতাকর্মীরা বলছেন, আটকের পর সেনাবাহিনীর সদস্যরা তার ওপর নির্যাতন চালিয়েছেন এবং তারই এক পর্যায়ে মারা যায় শামসুজ্জামান ডাবলু।
খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তিনি নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করে এবং সেই সঙ্গে আইন হাতে তুলে না নেয়া এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে নেতাকর্মীদের প্রতি নির্দেশনা দিয়েছেন।
এই বিষয়ে সেনাবাহিনীর কাছ থেকে কোনো অফিসিয়াল বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি। সেনাবাহিনীর সদস্যরা মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য নিয়ে যেতে চাইলে স্থানীয় লোকজন বাধা দেয়।
বিএনপি নেতার মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভে ফুসে উঠেছে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। জীবননগর পৌরসভা এলাকায় এখন উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
সারাদেশ: কলাপাড়ায় ট্রাকের চাপায় বাইকচালক নিহত