image
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত

ডিমলায় চরম সংকটে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার, অতিরিক্ত দামে বিক্রি

প্রতিনিধি, ডিমলা (নীলফামারী)

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় গত প্রায় এক মাস ধরে তীব্র এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের সংকট দেখা দিয়েছে। হাটবাজার ও খুচরা দোকানগুলোতে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না বললেই চলে। কোথাও সীমিত পরিমাণে মিললেও তা বিক্রি হচ্ছে অতিরিক্ত দামে। ফলে বিপাকে পড়েছেন উপজেলার নি¤œ ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত সরবরাহ বন্ধ থাকায় অধিকাংশ দোকানে এলপিজি সিলিন্ডার শূন্য। কিছু দোকানে গ্যাস পাওয়া গেলেও নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে ভোক্তাদের মধ্যে চরম অসন্তোষ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

ভুক্তভোগীরা জানান, গ্যাস না থাকায় রান্নাবান্না নিয়ে মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে নতুন করে চুলা কিনে কাঠ, খড়কুটোসহ বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার শুরু করেছে, যা সময় সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল। এতে দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।

ডিমলা উপজেলার কয়েকজন গৃহিণী জানান, হঠাৎ করে দীর্ঘদিন গ্যাস না পাওয়ায় শিশু ও বয়স্কদের খাবার প্রস্তুত করতেও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। কেউ কেউ বলেন, অতিরিক্ত দামে গ্যাস কিনতে গিয়ে সংসারের অন্যান্য খাতে ব্যয় সংকোচন করতে হচ্ছে।

গতকাল সোমবার একই অভিযোগ করেন, প্রবীণ সাংবাদিক সরদার ফজলুল হক। তিনি জনান, এলপিজি গ্যাসের চরম সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক হয়রানীর পর একটি সিলিন্ডার ১৫শ টাকায় কিনেছি। অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, কোম্পানি থেকে নিয়মিত সরবরাহ না পাওয়ায় এ সংকট তৈরি হয়েছে। তাদের ভাষ্য, চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম থাকায় বাজারে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হচ্ছে না।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরানুজ্জামান বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। দ্রুত সংকট নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। অতিরিক্ত দামে গ্যাস বিক্রির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা করা হবে।’ স্থানীয়রা দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করা এবং বাজার মনিটরিং জোরদারের দাবি জানিয়েছেন, যাতে সাধারণ মানুষ ন্যায্যমূল্যে এলপিজি গ্যাস পেতে পারে।

‘সারাদেশ’ : আরও খবর

সম্প্রতি