বেনাপোল বন্দরে ভারতীয় ট্রাক থেকে প্রায় ৬ মেট্রিক টন ইলিশের বড় একটি অবৈধ চালান আটক হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে বিজিবির তথ্যের ভিত্তিতে বেনাপোল বন্দরের ৩১ নাম্বার ট্রান্সশিপমেন্ট থেকে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ইলিশের চালানটি আটক করে। জানা যায়, মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে বৈধ পথে ইলিশ আমদানি করেন জান্নাত এন্টারপ্রাইজ। রপ্তানিকারক ছিল আরজে এন্টার ন্যাশনাল। শুল্কফাঁকি দিয়ে বেনাপোল বন্দর থেকে ইলিশের চালান পাচারের চেষ্টা করছিল বহুল আলোচিত শান্তর মালিকাধীন সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট লিংক এন্টার ন্যাশনাল।
গতকাল বুধবার দুপুরে বেনাপোল কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা উদ্ভব চন্দ্র পাল জানান, ইলিশ সাধারণত ভারতে গেলেও এবার ভারত থেকে আসতে দেখা গেছে। গোপন খবর আসে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে ইলিশ মাছ আমদানি করে বিপুল পরিমানের রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করছে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট। পরে ভারতীয় দুটি মাছের ট্রাকে অভিযান চালিয়ে ৫৩ কার্টন ইলিশ উদ্ধার করা হয়।
বন্দর সূত্রে জানা যায়, এক শ্রেণীর দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ীদের শুল্কফাঁকির কারণে চলতি অর্থবছরের ৬ মাসে ১০১৩ কোটি টাকা রাজস্ব ঘটতি হয়েছে। চিহ্নিত শুল্ক ফাঁকিবাজদের মধ্যে সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী শান্ত আলোচিত। এসব অনিয়মের সঙ্গে কাস্টমসের এক শ্রেণীর দুর্নীবাজদের সখ্য রয়েছে। অপরাধীরা ধরা পড়লেও বিভিন্ন কৌশলে তাদের লাইসেন্স কাস্টমস কর্মকর্তারা বাঁচিয়ে দিয়ে আবারও ব্যবসার সুযোগ করে দেয়।