image
ছবিঃ সংগৃহীত

চাটখিল-সোনাইমুড়িতে ১৩০৬ টাকার এলপিজি গ্যাস বিক্রি হচ্ছে ১৬৫০ থেকে ২০০০ টাকায়

প্রতিনিধি, চাটখিল ও সোনাইমুড়ী (নোয়াখালী)

এলপিজি গ্যাস সংকটের অজুহাত দেখিয়ে চাটখিল ও সোনাইমুড়িতে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ। সরকার নির্ধারিত ১৩০৬ টাকা মূল্যের এলপিজি গ্যাস কিনতে হচ্ছে ১৬৫০ থেকে ২০০০ টাকায়। এ বিষয়ে ভোক্তা অধিকার ও প্রশাসন কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে হতাশা বিরাজ করছে।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতি মাসে এলপিজি গ্যাসের নতুন করে মূল্য নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি)। এরই অংশ হিসেবে জানুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৫৩ টাকা বাড়িয়ে ১৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়। ডিসেম্বর মাসে এই দাম ছিল ১২৫৩ টাকা। কিন্তু বিভিন্ন এলপিজি গ্যাস সরবরাহকারী কোম্পানির ডিলারেরা সরবরাহের অপ্রতুলতা ও বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে খুচরা বিক্রেতাদের কাছে চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ করছে না। পাশাপাশি সিলিন্ডার প্রতি ১০০ থেকে ২০০ টাকা বেশি দাবি করছে। এতে যেসব খুচরা বিক্রেতা বেশি টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করছে, তাদের দোকানে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিচ্ছে। এর ফলে বাজারে সৃষ্টি হচ্ছে কৃত্রিম গ্যাস সংকটের।

এই ব্যাপারে চাটখিল জে.এম.আই গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, গত মাসের ১৭ তারিখে তার কাছে সিলিন্ডারের গাড়ি আসার কথা ছিল। কিন্তু এখনও গাড়ি আসেনি, তাই এই সংকট দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে চাটখিল বাজারের এলপিজি গ্যাসের অন্যতম খুচরা বিক্রেতা খন্দকার এন্টারপ্রাইজের মালিকের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, আমরা আছি উভয় সংকটে একদিকে ডিলাররা কৃত্রিম সংকটের কথা বলে আমাদের থেকে বেশি দাম নিচ্ছে।

অন্যদিকে বাড়তি দামের কারণে সাধারণ ক্রেতাদের সঙ্গে আমাদের প্রতিনিয়ত বাগবিতন্ডায় জড়াতে হচ্ছে। ডিলারেরা বাড়তি দাম নিলেও কোন ক্যাশ মেমো না দেওয়ায় প্রশাসনের কাছেও আমরা জবাবদিহিতার মুখে পড়তে হচ্ছে। এ অবস্থায় আমাদেরকে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়াটা কঠিন হয়ে পড়েছে। এই দুই উপজেলার গ্যাস ব্যবহারকারীরা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেছেন।

‘সারাদেশ’ : আরও খবর

» ময়মনসিংহে ছিনতাই প্রস্তুতিকালে গ্রেপ্তার ১

সম্প্রতি

Sangbad Image

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: বিটিসিএলের নতুন প্যাকেজ ঘোষণা