সরিষার বাম্পার ফলনে কৃষকের চোখেমুখে আনন্দের হাসি ফুটে উঠেছে। এই মৌসুমে মধুপুর উপজেলায় রেকর্ড পরিমাণ জমিতে সরিষা চাষাবাদ করা হয়েছে। টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় বিভিন্ন এলাকায় বিস্তীর্ণ ফসলি মাঠে এখন হলুদের ঢেউ।
উপজেলা কৃষি অফিস থেকে জানা যায়, চলতি মৌসুমে সরিষা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৫০০ শত হেক্টর জমিতে। তা অর্জিত হয়ে অতিরিক্ত ১১০ হেক্টর সরিষা আবাদ হয়েছে। এখন কৃষকরা সরিষার বাম্পার ফলনের আশা করছেন। আবহাওয়া অনুকূল থাকলে কৃষকরা সরিষার বাম্পার ফলনের আশা করছেন। মধুপুর উপজেলার বারি ১৪ জাতের সরিষার চাহিদা বেশী আরও অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে বিনা ১৭, বিনা ১৮, বিনা ২৯.৯। অন্যান্য ফসল থেকে বারি ১৪ ফলন ভালো। কৃষক এর জাতের সরিষা চাষে বেশি আগ্রহ। সরিষার চাষে খরচ কম এবং লাভ হয় বেশি।
সরেজমিনে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নসহ পৌর এলাকার বিভিন্ন গ্রামের মাঠগুলোতে চোখে পড়ার মতো সরিষার ক্ষেত। যেখানে দুল খাচ্ছে সরিষার হলুদ ফুল।
উপজেলার গোলাবাড়ী এলাকার সরিষা চাষি হযরত আলী বলেন, আমি এ বছর দুই বিঘা জমিতে সরিষার চাষ করেছি। প্রতিটি সরিষা গাছে প্র্রচুর পরিমাণ ফুল ফুটেছে। বুঝা যাচ্ছে এবার সরিষার ফলন ভালো পাবো। আবহাওয়া যদি অনুকূলে থাকে সময়মতো যদি সরিষা তুলে বিক্রি করতে পারি তাহলে বাড়তি কিছু টাকা আসবে। আর সরিষা উঠানোর পর পুরোদমে বোরো ধান চাষ করতে পারব। অন্য কৃষক রফিকুল ইসলাম জানান, গত বছর সরিষার দাম ভালো থাকায় এবছর আমি প্রায় তিন বিঘা জমিতে সরিষার চাষ করেছি, ফলন ভাল হয়েছে। আশা করছি ভালো দাম নিয়ে বিক্রি করতে পারব। বাজারেও সরিষার চাহিদা অনেক বেশী রয়েছে। তবে, এমন ভালো ফলন দেখে আমাদের কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আনিছুর রহমান জানান, আমরা যারা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা রয়েছি তারা মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে ও আবাদের ফলন বৃদ্ধি করতে নানা পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি।
মধুপুর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রকিব আল-রানা জানান, এবছর মধুপুর উপজেলায় সরিষার চাষ বেশী হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে এ বছর ২৬১০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষাবাদ করা হয়েছে। ফলন ভালো হলে প্রতি বিঘা জমিতে ৫ থেকে ৬ মণ সরিষা ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মাঠপর্যায়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ ও পরিচর্যার বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এ উপজেলায় সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। যা গত বছরে তুলনায় এ বছর ১১০ হেক্টর বেশি জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে। সরিষা এমন একটি ফসল যা থেকে তেল মধু শাকসবজি সার পরিশেষে লাকড়ি হিসেবে ব্যবহার করতে পারি। সরিষার ফলন ৮০ থেকে ৯০ দিনে উঠে। কৃষকরা তাই সরিষা উত্তোলন করে বোরো ধান চাষ করতে পারে।
অর্থ-বাণিজ্য: দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড
অর্থ-বাণিজ্য: পাঁচ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে ৯৪০ কোটি ডলার
অর্থ-বাণিজ্য: বিএইচবিএফসির খেলাপি ঋণ কমে ৩.৪৫%
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: বিটিসিএলের নতুন প্যাকেজ ঘোষণা