ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ উপলক্ষে চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাওয়া দুই ব্যক্তি লিখিতভাবে অভিযোগের জবাব দিয়েছেন এবং তারা ভবিষ্যতে আচরণবিধির বিষয়ে সজাগ থাকবেন ও ভবিষ্যতে এমন ভুল হবেনা বলে লিখিত দেন। আচরণ বিধিমালা সম্পর্কে সম্যক ধারণা না থাকায় তারা এমনটা করেছে বলে জানায় নির্বাচন অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটিকে।
আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের নোটিশপ্রাপ্তরা হলেন- আব্দুল মান্নান রনি ওরফে কালা মান্নান এবং ইউসুফ মিয়া চৌধুরী। তারা পৃথক জবাবে বলেছেন, অভিযোগের সঙ্গে তাদের প্রত্যক্ষ কোনো সম্পৃক্ততা নেই এবং নির্বাচন আচরণবিধি ভঙ্গের কোনো উদ্দেশ্য বা কর্মকান্ড তাদের দ্বারা সংঘটিত হয়নি। নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান ও সিনিয়র সিভিল জজ পলিনা আকতার স্মৃতির স্বাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়, গত ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে ইসলামপুর ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজিত বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় ধানের শীষে ভোট দেয়ার জন্য উপস্থিতদের শপথ করানো এবং জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে কটূক্তিমূলক বক্তব্য দেয়ার অভিযোগ ওঠে। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও স্থানীয় একটি অনলাইন মাধ্যমে প্রচারিত হয়।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাঙ্গুনিয়া উপজেলার প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রতিনিধি এইচ আল বান্না গত ১৩ জানুয়ারি সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগে বলা হয়, ভোট গ্রহণের তিন সপ্তাহ আগে এ ধরনের বক্তব্য সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর পরিপন্থি। কারণ দর্শানোর জবাবে আব্দুল মান্নান রনি বলেন, তিনি নির্বাচন আচরণবিধি সম্পর্কে সচেতন এবং কোনো প্রার্থীকে হুমকি বা কটূক্তিমূলক বক্তব্য দেননি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওটির সঙ্গে তার সরাসরি সংশ্লিষ্টতা নেই বলেও দাবি করেন তিনি। অপরদিকে ইউসুফ মিয়া চৌধুরী বলেন, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার মতো কোনো কর্মকান্ডে তিনি জড়িত নন। অনিচ্ছাকৃতভাবে কোনো আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়ে থাকলে তিনি নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: স্যাটেলাইটের মাধ্যমে কল ও বার্তা পাঠানোর প্রযুক্তি আনছে ইনফিনিক্স
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: রেডমি নোট ১৫ সিরিজের মোড়কে তিনটি নতুন স্মার্টফোন আনলো শাওমি