image
চকরিয়া: কোনাখালী ইউনিয়নে কৃষি জমি কেটে মাটি লুটের বিরুদ্ধে অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালত -সংবাদ

চকরিয়া উপকূলে অবৈধভাবে মাটি কাটার সময় হাতেনাতে আটক,৫০ হাজার টাকা জরিমানা

প্রতিনিধি, চকরিয়া (কক্সবাজার)

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার উপকূলীয় অঞ্চলের কোনাখালী ইউনিয়নের জঙ্গলকাটা এলাকায় কৃষি জমি কেটে মাটি লুটের বাণিজ্য শুরু করেছেন স্থানীয় একটি মহল।

মালিকের সঙ্গে চুক্তি করে মাছের ঘের তৈরি করে দেয়ার বিপরীতে কৃষি জমির উপরিভাগের টপসয়েল লুটের এই মহোৎসব চলছিল বেশকিছু দিন ধরে।

স্থানীয় পরিবেশ সচেতন মহলের অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি নজরে আসে চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনের। এরই জেরধরে গতকাল রোববার বিকালে উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার রুপায়ন দেব কোনাখালী ইউনিয়নের জঙ্গলকাটা এলাকায়

মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালনা করেন।

স্থানীয় লোকজন জানান, মোবাইল কোর্ট নিয়ে যখন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ওই এলাকার কৃষি জমিতে উপস্থিত হন, তখনই দিক্বিদিক পালিয়ে যায় মাটিখেকো চক্রের সদস্যরা। তাদের পালিয়ে যেতে মুহুর্তে সেখান থেকে সটকে পড়েন মাটি কাটার কাজে নিয়োজিত শ্রমিকরাও। পরে আদালত ঘটনাস্থল থেকে মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত দুটি স্কেভটর গাড়ি অকেজো করে দিয়ে ব্যাটারী গুলো খুলে নিয়ে জব্দ করেছেন। এসময় এহছান হাবিব মামুন নামের একজন অপরাধ স্বীকার করে আদালতের কাছে। পরে আদালত তাঁকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে দায়মুক্তি দিয়েছেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) রুপায়ন দেব বলেন, কোনাখালী ইউনিয়নের জঙ্গলকাটা এলাকায় কৃষি জমি কেটে মাটি লুটের খবর পেয়ে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় জড়িতরা সবাই প্রথমে পালিয়ে যায়।

এ অবস্থায় আদালত ঘটনাস্থলে মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত দুটি স্কেভটর গাড়ি অকেজো করে দিয়েছেন এবং দুইটি গাড়ির ব্যাটারীগুলো খুলে নিয়ে জব্দ করা হয়েছে।

পরে অবশ্য মাটি কাটার ঘটনায় আদালতের কাছে দোষ স্বীকার করায় এহছান হাবিব মামুন নামের একজনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে। মাটি বিক্রি করে মাছের তৈরির সঙ্গে জড়িত জমির মালিকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রুপায়ন দেব।

সম্প্রতি