বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলায় কৃষকদের সেচের মোটর ও মটরের তার এবং মোংলায় ব্যবসায়ীর বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। চুরির ঘটনা বিষয়ে জানা গেছে, ফকিরহাট উপজেলার পিলজংগ ইউনিয়নের টাউন নওয়াপাড়া এলাকার কৃষকদের ক্ষেত থেকে পানি সেচের মোটর ও মোটরের তার চুরি হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে এ চুরির ঘটনায় কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
এ ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা বলছেন একের পর এক বিল এলাকা হতে এই ধরনের প্রায় অর্ধশত চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত শরিবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে টাউন নওয়াপাড়া গ্রামের ঘের ব্যবসায়ী মহিউদ্দিন মইন ভুইয়ার মশির বিল এলাকায় তার ঘেরে পানি সেচের জন্য মটর দিয়ে পানি সেচের কাজ করে বাড়িতে চলে আসেন। পরে ওই রাতেই তার ১২ হাজার টাকা মূল্যের মোটরটি চুরি করে নিয়ে যায়। একই রাতে উপজেলার সাতবাড়িয়া গ্রামের গাবখালী এলাকার বাবর আলীর মোটরের তার চুরির ঘটনা ঘটে। এছাড়া গত কয়েক দিনের ব্যবধানে উক্ত এলাকার শরিফুল ইসলাম, মোহম্মদ আলী, সিরাজুল ইসলাম, শুকুর আলী, বাচ্চু শেখ, নাসির উদ্দিন, সুজন শেখ, কালু, আ. রাজ্জাক ও জলিল মোড়লসহ বিভিন্ন কৃষক ও ঘেরমালিকের মোটরের তার চুরির ঘটনা ঘটেছে। যদিও এ সব চুরির ঘটনায় কেহ থানায় অভিযোগ করেন নাই বলে জানান ফকিরহাট থানার ওসি শেখ সাইফুল ইসলাম।
অপরদিকে, মোংলায় পৌর শহরের ৮নং ওয়ার্ডের কেওড়াতলা জিয়া সড়কের মো. শাহনুর টিংকু নামের এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোর বা চোরেরা ঘরের পেছনের দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে স্মার্টফোনসহ ওয়ারড্রবের ড্রয়ারে থাকা দেড় লাখ টাকা চুরি করে নিয়ে যায় বলে তিনি বলেন। এ ঘটনায় গত রোববার সকালে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন ওই ব্যবসায়ী। এর আগে শনিবার রাতে এ চুরির ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত ওই ব্যবসায়ীসহ এলাকাবাসী বলেন গত কয়েক মাস ধরে মোংলা পৌর শহরে একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটেছে। অনেকেই থানায় অভিযোগ করেন না। কেওড়াতলা এলাকার বাসিন্দা সংবাদকর্মী কাজি মাহফুজ জানান, তার বাড়িতে মোংলা থানার এক পুলিশ সদস্য ভাড়া থাকেন, কিছুদিন আগে রাতে সেই পুলিশ সদস্য ভাইটির বাইসাইকেলটি বাড়ির ভেতর থেকে চুরি করে নিয়ে গেছে। গত ৮ জানুয়ারি একই ওয়ার্ডের মুসলিম পাড়া এলাকা থেকে রিজেকশন ব্যবসায়ী মিলনের বাড়ির সামনে থেকে তার নিজস্ব অ্যাপাসি মোটরসাইকেল চুরি করে নিয়ে যায়।
আন্তর্জাতিক: ট্রাম্পের শুল্ক ইউরোপকে বিভক্ত করার কৌশল
সারাদেশ: রাজশাহীতে বিদেশি পিস্তল উদ্ধার