image

পদ্মা সেতু নিয়ে উপদেষ্টার হতাশা প্রকাশের পরদিনই টোল আদায়ে মাইলফলক

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

দেশের সর্ববৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্প পদ্মা সেতু নিয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টার হতাশা প্রকাশের পরদিনই টোল আদায় নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে। সেতুটি উদ্বোধনের পর থেকে মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) পর্যন্ত মোট টোল আদায়ের পরিমাণ ৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

২০২২ সালের ২৫ জুন উদ্বোধনের পর দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার সঙ্গে রাজধানীসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলের নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ নিশ্চিত করেছে পদ্মা সেতু। এতে যাতায়াতের সময় কমেছে, পণ্য পরিবহন সহজ হয়েছে ও কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও শিল্প খাতে গতিশীলতা বেড়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

তবে পদ্মা সেতুর ব্যয় ও অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে গতকাল রোববার (১৯ জানুয়ারি) নেত্রকোনায় এক অনুষ্ঠানে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দীন। তিনি বলেছেন, পদ্মা সেতুর ব্যয় ও দায় পরিশোধের চাপ দেশের খাদ্যপণ্যের বাজারেও প্রভাব ফেলেছে। বিশেষ করে চালের দামের সঙ্গে এ ব্যয়ের সম্পর্ক টেনে তিনি মন্তব্য করেন, পদ্মা সেতুর দায় সামাল দিতে গিয়ে চালের দাম বেড়েছে, যা সাধারণ ভোক্তার ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করেছে।

অন্যদিকে সেতু কর্তৃপক্ষ বলছে, টোল আদায় থেকে আসা রাজস্ব ভবিষ্যতে অবকাঠামো খাতের ব্যয় পুনরুদ্ধার ও জাতীয় উন্নয়ন কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানের দিকনির্দেশনা ও সেতু বিভাগের সচিব এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফের তত্ত্বাবধানে এই রাজস্ব আহরণ সম্ভব হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

পদ্মা সেতুর মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তে চালু থাকা আধুনিক ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন ব্যবস্থা টোল আদায় কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করেছে। আরএফআইডি কার্ডের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় টোল আদায় চালু থাকায় যানবাহনকে টোল প্লাজায় দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না, এতে সময় ও জ্বালানি সাশ্রয় হচ্ছে।

সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই মাইলফলক অর্জনে গাড়ির মালিক, চালক, শ্রমিক, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, সেতুর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সকল অংশীজনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

‘সারাদেশ’ : আরও খবর

সম্প্রতি