কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে দাফনের প্রায় ৬ মাস পর কবর থেকে সোহেল শেখ (৪৮) নামের এক শারীরিক প্রতিবন্ধীর মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার কয়া ইউনিয়নের কালোয়া শেখপাড়া কবরস্থান থেকে মরদেহটি উত্তোলন করা হয়। নিহত ব্যক্তি ওই এলাকার মৃত শাহাদৎ শেখের ছেলে। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়ার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পিবিআই পুলিশ।
আদালতের নির্দেশে মরদেহটি উত্তোলনের সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও কুমারখালী সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারওয়ার, কুষ্টিয়া পিবিআই পুলিশের পরিদর্শক মো. কামাল হোসেন, কয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর সদস্য শহিদুল ইসলাম, কবরস্থান কমিটির সভাপতি মোজাহারুল হক মিলন, নিহতের স্বজন ও কয়েক শত উৎসুক জনতা উপস্থিত ছিলেন।
মামলার বাদী ও নিহত ব্যক্তির ছেলে সোহানুর রহমানের ভাষ্য, ৪ শতাংশ জমি লিখে নিয়ে তার দাদি নুরজাহান, ফুফু জরিনা খাতুন, ফুফা আজাহার ও দুই ফুফাতো ভাই জীবন ও শিপন যোগসাজশে তার বাবা সোহেলকে বিষাক্ত ক্রিয়ার মাধ্যমে হত্যা করে তড়িঘড়ি করে দাফন কার্য সম্পন্ন করেছিলেন। জমির মূল্য প্রায় ৬ লাখ টাকা। আর স্থানীয়রা ও অভিযুক্তদের দাবি, সোহেল দীর্ঘদিন ধরে প্যারালাইজড, ডায়াবেটিকসসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছিল। ছেলে সোহানুর ও স্ত্রী স্বপ্না ঢাকায় গার্মেন্টসে কাজ করেন। তারা সোহেলের খোঁজখবর নেয় না। ফলে তিনি বাবার ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত সামান্য জমিটুকু তার মায়ের নামে রেজিস্ট্রি করে দেন মরার আগে। মূলত সেই জমির জন্য সোহানুর হত্যার অভিযোগ তুলে কবর থেকে বাবার মরদেহটি উত্তোলন করেছেন।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, কয়েকবছর আগে সোহেল তার স্ত্রী সন্তান নিয়ে ঢাকায় গার্মেন্টসে কাজ করতেন। সেখানে ২০২৩ সালে হঠাৎ স্ট্রোক করে তিনি প্যারালাইজড রোগে আক্রান্ত হন। ঢাকায় দুইমাস চিকিৎসা শেষে তাকে গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন স্ত্রী স্বপ্না ও ছেলে সোহানুর রহমান। এরপর অবহেলায় অযতেœ সোহেল নানান রোগে আক্রান্ত হয়ে ২০২৫ সালের ৬ জুন সকালে মারা যান। ওইদিন তাকে স্বজন ও স্থানীয়রা তার মরদেহটি কালোয়া শেখপাড়া কবরস্থানে দাফন করেন।
সারাদেশ: জীবননগরে অধিকংশ ইটভাটার অনুমোদন নেই
সারাদেশ: ইছামতি নদী এখন বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ
আন্তর্জাতিক: সাগরের ৪০০ মিটার গভীরে টানেল নির্মাণ করছে নরওয়ে
আন্তর্জাতিক: রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনে নিহত ২