চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার বোয়ালমারী ফকিরী পাড়া মোড়ে মুজিবনগর মূল সড়কের পার্শ্বে বিশাল এক চটকা গাছের ডালে নিতান্ত শখের বশে স্থানীয় যুবক ও কিশোরা বানিয়েছেন ‘ট্রি-হাউস’। তাদের স্বপ্নের এই ‘ট্রি-হাউস’ বানাতে খরচ জোগান দিয়েছে গ্রামের অনেকে। গরম পড়লে স্থানীয় যুবক, কিশোর ও বয়স্করা সিঁড়ি বেয়ে ‘ট্রি-হাউস’ সময় কাটাতে তাদের এই উদ্যেগ। তাদের নির্মিত ‘ট্রি-হাউস’ এ জনপদে ভাইরাল এক নাম। জানা গেছে, বাঙালি অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় বরাবরই। প্রচণ্ড গরম থেকে রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার স্বাদ নিতে অভিনব উদ্যোগে একদল যুবকও কিশোর মিলে রাস্তার বিশাল এক চটকা গাছের ওপর তারা বানিয়েছেন ‘ট্রি-হাউস’। কাঠ, বাঁশ আর টিনের ছাউনি দিয়ে তৈরি ঘরটি এখন এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। গরমে দিনে বা রাতে গাছের ডালে সবুজ পাতাই ঘেরা পরিবেশে রোমাঞ্চ পরিবেশ উপভোগ করতেই শিহাব, এনামুল মাহফুজ, গ্রামের অনেক সিনিয়র ও বয়স্করাসহ আরও অনেকে মিলে এই ‘ট্রি-হাউস’ বানিয়েছেন। কলেজ পডুয়া বায়োজিদ ও স্কুল পডুয়া অর্ণব সহ অনেকে বলেন, কেই বাঁশ কেউ টিন আবার কেউ শ্রম দিয়ে সবাই মিলে এই ট্রি-হাউসটি তৈরি করেছেন। এই জনপদে সবার দেয়া অর্থে গাছের ডালের ওপর নির্মিত ‘ট্রি-হাউস’ শুধুই এখন রোমাঞ্চ কর নতুন ঠিকানা। রোমাঞ্চ কর এই ‘ট্রি-হাউস’ উঠতে কোন টাকা লাগে না। তাই আসার দাওয়াত রহিল সবার জন্য। গ্রামের অনেক সিনিয়র ও বয়স্করা ইতোমধ্যেই ট্রি-হাউসে অনেক সময় পার করেছে। ভয়েরও কোনো কারণ নেই। তবে স্থানীয় একাধিক বাসিন্দারা বলেন, উদ্যোগটি অবশ্যই প্রশংসনীয়। ট্রি-হাউসটি দেখতে যেমন সুন্দর, তেমনি এর গঠনও বেশ মজবুত। গাছের উপর ‘ট্রি-হাউস’ ওঠার জন্য তারা তৈরি করেছেন চমৎকার বাঁশের সিঁড়ি। ঘরটিতে তারা ব্যবহার করেছে বাঁশের বেড়া আর উপরে টিনের চালা। অত্যান্ত মজবুত স্বাভাবিক। ছোট খাট কোন ঝড় ঝান্ডা ক্ষতি করতে পারবে না। পুরে ‘ট্রি-হাউস’ একটি ছোট্ট ব্যালকনি, যেখান থেকে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অনায়াসে উপভোগ করা যায়। মুক্ত বাতাসে মন সতেজ হয়ে যাবে। এলাকার যুবকরা নিজেদের হাতে তৈরি এই ‘ট্রি হাউস’ এখন স্থানীয়দের কাছে এক নতুন আকর্ষণ। এটি কেবল একটি ঘর নয়, এটি প্রকৃতির মাঝে এক টুকরো শান্তির ঠিকানা। এ খানে এসে শুধুই রোমাঞ্চ, দুর্দান্ত অভিজ্ঞতা নিতে পারেন যে কেউ। অ্যাডভেঞ্চারের টানে এবং প্রকৃতির কাছাকাছি থাকার ইচ্ছে থেকেই এমন একটি পরিকল্পনার জন্ম। নিজেদের জমানো অর্থ ও অক্লান্ত পরিশ্রমে তৈরি গাছের ডালে নির্মিত এই ঘরটি তৈরি করেছেন সবাই মিলে। এটি একটি আশ্রয়স্থল নয়, এটি প্রকৃতির মাঝে এক টুকরো রোমাঞ্চের ঠিকানা।
স্থানীয়দের এলাকাবাসীর একাংশ মনে করেন, নিরাপত্তার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। উঁচু গাছের ডালে উপর হওয়া খানা কতটা ঝুঁকি পূর্ণ, তা আগে নিশ্চিত হওয়া জরুরি। তবে এই পরিকল্পনাকে যদি সঠিক পরিকাঠামোর মাধ্যমে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় তবে ভবিষ্যতে এই জনপদে পর্যটন মানচিত্রে এটি নতুন মাত্রা যোগ হবে বলে মনে করেন।
সারাদেশ: জীবননগরে অধিকংশ ইটভাটার অনুমোদন নেই
সারাদেশ: ইছামতি নদী এখন বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ
আন্তর্জাতিক: সাগরের ৪০০ মিটার গভীরে টানেল নির্মাণ করছে নরওয়ে
আন্তর্জাতিক: রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনে নিহত ২