সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা সদরের জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কের মাঝখানে বৈদ্যুতিক খুঁটি রেখেই সড়ক প্রশস্ত ও পাকা-সংস্কারের কাজ করছে এলজিইডি। এতে প্রতিদিনই ঘটছে ছোটখাটো দুর্ঘটনা। বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছে যানবাহনচালক ও স্থানীয়রা।
স্থানীয় উপজেলা প্রকৌলী (এলজিইডি) কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, হাওর এলাকায় উড়াল সড়ক ও ভৌত অবকাঠামো প্রকল্পের আওতায় ২০২৩ সালের ২৬ মার্চ ৩৭ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি নান্দনিক সেতু ও একটি কালভার্টসহ ১ হাজার ৪’শ মিটার সড়ক নির্মাণের জন্য ৯ কোটি ৯৭ লাখ ৮০ হাজার ৪৮০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া এলজিইডি। আর এ কাজ বাস্তবায়নের দায়িত্ব পান মাহবুব এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ১ হাজার ৪’শ মিটারের মধ্যে অর্ধশত বৈদ্যুতিক খুঁটি রয়েছে। এর মধ্যে বেশ কিছু বৈদ্যুতিক খুঁটি সড়কের মাঝখানে থাকা সত্যেও খুঁটিগুলো স্থানান্তর না করে সড়ক প্রশস্ত ও পাকা-সংস্কারসহ দুইটি ব্রীজ নির্মাণ করায় জনমনে ক্ষোভ দেখা দেয়। এতে বিদ্যুৎ বিভাগের উদাসীনতাকেও দায়ী করেছেন এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬ সকালে এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।
ছোট-বড় যানচালক,পথচারী ও বাজারের ব্যবসায়ীরা বলেন, এমন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের মাঝখানে খুঁটিগুলো রেখে রাস্তা পাকা করার কাজ শেষ করা হয়েছে। এটা কোনো ভাবেই যুক্তিযুক্ত নয়। এতে যেকোনো সময়ে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দ্রুততম সময়ে এসব খুঁটি অপসারণের দাবি জানাচ্ছি।
তবে সহকারী জেনারেল ম্যানেজার, ধর্মপাশা সাবজোনাল, নেত্রকোনা পল্লী বিদুৎ সমিতির কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান বলেন, লিখিতভাবে বিষয়টি অবগত করা হলে যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে
খুঁটিগুলি স্থানান্তর করা যেত। বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলা হবে।
উপজেলা প্রকৌলী (এলজিইডি) কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহাবউদ্দিন দৈনিক সংবাদকে বলেন, সড়ক থেকে খুঁটিগুলো স্থানান্তরের জন্য পল্লী বিদুৎ সমিতির সাথে কথা বলে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।