image
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত

আবাসন প্রকল্পে ‘অনিয়ম’: রূপায়ণ হাউজিংয়ের

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

সিএস দাগের তথ্যও রাজউকের সরবরাহ করা কাগজ পাওয়া যায়নি।

‘কিছু জমি সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত এবং কিছু জমি কোর্টস অব ওয়ার্ডসের (ভাওয়াল রাজ এস্টেট) লিপিবদ্ধ সম্পত্তি হওয়া সত্ত্বেও মালিকানা নিরঙ্কুশ না থাকায় বিশেষ প্রকল্প ছাড়পত্র বা নকশা অনুমোদনের সুযোগ ছিল না’

এক্ষেত্রে ঢাকা মহানগর ইমারত বিধিমালা ২০০৮ এর বিভিন্ন বিধি (বিশেষ প্রকল্প বাতিল, সত্যায়িত দলিল দাখিল, মালিকানা নিরঙ্কুশ থাকা ইত্যাদি) তুলে ধরে অনিয়মের কথা বলা হয়েছে।

এজাহারে ঘটনার সময় বলা হয়েছে, ২০১১-২০২২ পর্যন্ত। স্থান হিসেবে রাজউক ও রূপায়ন সিটি, উত্তরা, ঢাকাসহ অন্যান্য জায়গার কথা বলা হয়েছে।

মামলায় রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান মুকুলকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। তার সঙ্গে রূপায়ণের পরিচালক রোকেয়া বেগম নাসিমা, মাহির আলী খান রাতুল, ফরিদা বেগম ও আলী আকবর খান রতনকে আসামি করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের প্রধান ভূমি কর্মকর্তা সাজ্জাদ হুসাইনকে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

রাজউকের তরফে সহযোগিতার অভিযোগে আসামি করা হয়েছে সংস্থার উপ-নগর পরিকল্পবিদ কামরুল হাসান সোহাগ, রেখাকার আলমগীর কবীর, উপ-নগর পরিকল্পনাবিদ সিরাজুল ইসলাম, নকশাকার এমদাদুল হক মুনসী, ফটোগ্রাফিক অ্যাসিস্ট্যান্ট এমরান হোসেন সুমন এবং ড্রাফটসম্যান নাজমুল হক।

রাজউকের অন্য আসামিরা হলেন- সদস্য (পরিকল্পনা) ও বিসি কমিটি-২, অঞ্চল-ক এর চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান (এনডিসি); সদস্য (উন্নয়ন) ও বিসি কমিটি-২, অঞ্চল-খ এর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান; সদস্য (পরিকল্পনা) ও বিসি কমিটি-২ এর চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল মান্নান; বিসি কমিটির সদস্য নির্বাহী প্রকৌশলী মোবারক হোসেন, গণপূর্ত প্রকল্প বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ও সদস্য আব্দুল্লাহ মো. জুবাইর; পরিচালক (আইন) রোকন উদদৌলা, প্রধান প্রকৌশলী এমদাদুল ইসলাম, পরিচালক (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ-১) গোলাম মোস্তফা ও মুহাম্মদ মোশরফ হোসেন, পরিচালক (জোন-২) আনন্দ কুমার বিশ্বাস এবং অথরাইজড অফিসার মিজানুর রহমান, পারভেজ খাদেম ও আশরাফুল ইসলাম আহমেদ।

এছাড়া আইন ও নকশা শাখার সঙ্গে যুক্ত মাহফুজুল করিম, আইনজীবী ও রাজউকের সহকারী আইন পরামর্শক মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার, সহকারী স্থপতি তাওফিকুজ্জামান, সহকারী অথরাইজড অফিসার জান্নাতুল নাইমা, তামান্না বিনতে রহমান, এস এম এহসানুল ইমাম ও খায়রুজ্জামানকেও আসামি করা হয়েছে।

আরও আসামি হয়েছে- প্রধান ইমারত পরিদর্শক আব্দুস সালাম, আব্দুল গনি ও বিল্লাল হোসেন, পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম, ইমারত পরিদর্শক মাসুদুর রহমান, প্রধান ইমারত পরিদর্শক আবু শামস রকিব উদ্দিন আহমেদ, সহকারী পরিদর্শক জ্ঞানময় চাকমা, এস্টেট পরিদর্শক তৌফিকুল ইসলাম ও জরিপকার আলী আজগরকে।

‘সারাদেশ’ : আরও খবর

» প্রেস্ক্রিপশন ছাড়া এন্টিবায়োটিক বিক্রি, চুয়াডাঙ্গায় ফার্মেসিকে জরিমানা

সম্প্রতি