পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার কৃষি অফিস চত্ত্বরে পরীক্ষামূলক ভাবে ব্রকলি চাষ করে সফলতা অর্জন করেছে। উপজেলায় এই প্রথম ব্রকলি চাষ করে সফলতার স্বপ্ন দেখার পাশাপাশি এলাকায় বাজিমাত করে দিয়েছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জাফর আহমেদের নির্দেশনায় অফিস সহকারী মো.জসিম উদ্দিন উন্নত জাতের ব্রকলি চাষ করে আশানুরূপ ফল পেয়েছে। বাজারে ব্রকলির চাহিদা বেশি থাকায় পরীক্ষামূলক কৃষি অফিসের প্রদর্শনী ক্ষেতে ব্রকলির চাষ করা হয়। এই সবজি চাষ করা সহজ ও ব্যয়ের চেয়ে লাভ বেশী হওয়ায় সম্ভাবনা থাকায় আগামী বছর উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের ক্ষুদ্র এবং প্রান্তিক কৃষকদেরকে চাষাবাদের জন্য উৎসাহ দেয়া হবে বলে কৃষি বিভাগ আশা করছে। জমিতে ব্রকলি চাষ করে কৃষকরা নতুন করে স্বপ্ন দেখতে পারবে। অত্র উপজেলার আবহাওয়া এবং মাটি ব্রকলি চাষের জন্য উপযোগী। চলতি মৌসুমে ব্রকলির চারা রোপণ করেই বাজিমাত করেছে। উপজেলা কৃষি অফিসের প্রদর্শনী খামারে নানা জাতের শাকসবজি চাষের সঙ্গে ব্রকলি চাষ করে সবাইকে তাক লাগিয়ে সবুজ বিপ্লব ঘটানোর চিন্তা করছে কৃষি বিভাগ। অত্র অঞ্চলে ব্রকলি তেমন চাষ বা ফলন ভালো হয় না। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের অফিস সহকারী জসিমকে ব্রকলি চাষ করতে বলা হয়। প্রদর্শনী খামারে সারি সারি ব্রকলি শোভা পাচ্ছে। খামারে ফলন দেখে এলাকার সকলেই রীতিমত অবাক হয়ে গেছে। ব্রকলি চাষ করতে তেমন জমির প্রয়োজন হয় না। স্বল্প জমিতে উন্নত জাতের ব্রকলির চারা রোপন করার পর আগাছা পরিস্কার করলেই হয়। এতে তেমন খরচ হয় না।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জাফর আহমেদ জানান, চলতি শীত মৌসুমে কৃষি দপ্তরের খামারে পরীক্ষামূলক ব্রকলির চাষ করা হয়। আগামী বছর উপজেলার প্রান্তিক কৃষকদের ব্রকলি চাষ করতে সহায়তা প্রদান করা হবে।
অর্থ-বাণিজ্য: ব্যাংক হিসাবে পিছিয়ে পড়া দেশের তালিকায় বাংলাদেশ
আন্তর্জাতিক: এক বছরে তিনবার ঈদের ছুটি! মিলবে ২০৩৯ সালে
আন্তর্জাতিক: ‘ট্রিগারে আঙুল’ রয়েছে, ওয়াশিংটনকে হুঁশিয়ারি ইরানের