কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে বোরো ধানের বীজতলার চারা হলুদ ও বিবর্ণ হয়ে পড়ছে। অনেক কৃষক পলিথিন দিয়ে বীজতলা ঢেকে রক্ষার চেষ্টা করেও তেমন লাভ হচ্ছে না। ফলে ইরি-বোরো চাষ নিয়ে তারা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন।
উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের কৃষকরা জানান, গত আমন মৌসুমে ধান কাটার পর তারা চলতি বোরো মৌসুমে বীজতলা তৈরি করেছিলেন। কিন্তু শৈত্যপ্রবাহ ও কুয়াশার কারণে গজানো চারা হলুদ বর্ণ ধারণ করে পাতা গুটিয়ে মরছে। জালালপুর ইউনিয়নের চর পুক্ষিয়া গ্রামের হাফিজুর রহমান বলেন, ঠান্ডা ও কুয়াশায় বীজতলা নষ্ট হচ্ছে। পলিথিন দিয়ে ঢাকলেও কাজ হচ্ছে না। ইরি আবাদ হবে কিনা আল্লাহই জানেন।
ফেকামারা গ্রামের সমসের আলী জানান, ৬ একর জমিতে ৬০ কেজি ধানের বীজতলা তৈরি করেছিলেন। তীব্র শীতে তা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে। নতুন বীজতলা তৈরি করলেও শৈত্যপ্রবাহ আবার ক্ষতি করছে। ফলে ইরি আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তিনি।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার পৌরসভা ও ৯ ইউনিয়নে ১৯, ৯০৬ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় ৪৫০ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, বৈরী আবহাওয়ায় কৃষকদের পলিথিন দিয়ে বীজতলা ঢেকে দেয়ার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এ ছাড়া চারা হলুদ হলে ইউরিয়া সার, জিপসাম এবং গোড়া পচন দেখা দিলে স্প্রে করার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।
অর্থ-বাণিজ্য: ভারতের অধিকাংশ পণ্যে জিএসপি সুবিধা স্থগিত করেছে ইইউ
অর্থ-বাণিজ্য: বাজার মূলধন বাড়লো ৬ হাজার কোটি টাকা
অর্থ-বাণিজ্য: পোশাক খাত নিয়ে সংকট, উদ্বিঘœ ব্যবসায়িরা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: গ্লোবাল স্কলার্স অলিম্পিয়াডের গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামে এজেন্টিক এআই