গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের মাশক গ্রামে এক যুবলীগ নেতার গরুর খামার থেকে ১১টি জীবিত ঘোরা ও ৮টি জবাই করা ঘোরা মাংস উদ্ধার করা হয়েছে।
উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম দীর্ঘদিন ধরে গোপনে ঘোড়ার মাংসের ব্যবসা করতেন বলে জানায় এলাকাবাসী। জাহাঙ্গীর আলম ওই গ্রামের মৃত. আলাউদ্দিনের ছেলে ও উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার রাত দশটার দিকে জাহাঙ্গীরের বাড়ি সংলগ্ন ‘জুহি লাবীব ডেইরি ফার্মের’ একটি খালি ঘরে বেশ কিছু অপরিচিত লোকজনের আনাগোনা শুরু হয়। স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে একজোট হয়ে রাত ১১টার দিকে সেখানে যায়। তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে অপরিচিত লোকগুলো পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা একটি পিকআপ ঢাকা মেট্রো-ন-১১-৩৬৬৫ ভাঙচুর করে এবং আরেকটি কাভারভ্যান ঢাকা মেট্রো-ন-১৭-১৭৬৫-তে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
তারা আরও জানান, জাহাঙ্গীর আলম আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর সে দীর্ঘদিন এলাকায় আত্ম গোপনে ছিল। বেশ কিছু দিন আগে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের ছত্রছায়ায় এলাকায় ফিরে আসে। এসে সে এই ব্যবসা দীর্ঘদিন ধরে চালিয়ে যাচ্ছে। সে গরুর খামারের নামের আড়ালে ঘোড়ার মাংসের ব্যবসা শুরু করে। নির্জন এলাকাতে বাড়ি হওয়াতে তার বাড়িতে সাধারণ মানুষের যাতায়াত কম থাকায় সেই সুযোগ নিয়ে ঘোড়ার মাংসের ব্যবসা শুরু করে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধির দায়িত্বে থাকা গাজীপুরের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফয়সাল গতকাল শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে অভিযান পরিচালনা করেন। তিনি জানান, ৮টি ঘোড়াকে জবাই করা হয়েছে এবং ১১টি জীবিত ঘোড়া উদ্ধার করা হয়। জবাই করা ঘোরাগুলি মাটি চাপা দিয়ে দেয়া হয়। জীবিত ঘোড়াগুলোকে স্থানীয় চেয়ারম্যানের জিম্মায় রাখা হয়েছে। আংশিক পুড়ে যাওয়া একটি কাভার ভ্যান ও একটি পিকআপ পুলিশের জিম্মায় দেয়া হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. একেএম আতিকুর রহমান, ভেটেনারি সার্জন ডা. আবদুল্লাহ আল মামুন, দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ ওহাব খান খোকা, কাপাসিয়া থানার উপপরিদর্শক জিহাদুল হক প্রমুখ।
নগর-মহানগর: আহনাফের মৃত্যুর বিচারটা কইরেন: আদালতকে মা