কুমিল্লার বরুড়া পৌর শহরের অফিসপাড়া নামক এলাকায় যাতায়াতের প্রায় ৬শত মিটার সড়কটি দীর্ঘ প্রায় ৬ বছর যাবত সংস্কার কাজ না হওয়ায় এটি বর্তমানে বেহাল দশায় পরিণত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ফলে এলাকাবাসীসহ আশপাশের অন্তত ৫টি গ্রামের হাজারো বাসিন্দা যাতায়াতে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
সরেজমিনে গিয়ে জানা, গেছে পৌর শহরের ২নং ওয়ার্ডের তলাগ্রামের অফিসপাড়া নামক এলাকার জনসাধারণের যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ প্রায় ৬শ মিটার সড়কটি অধিকাংশ স্থানে ইট, পাথক কার্পেটিং উঠে গেছে। এর বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। পাশের পুকুর ও মাছের খামারে সড়কটি বিভিন্ন স্থান ভেঙ্গে পড়ে গেছে। মাটি ভাসা দেখা দিয়াছে সড়কটি অধিকাংশ স্থানে। সড়কের পার্শ্বে স্বল্প পরিসরের পানি নিষ্কাষণের ড্রেনটি ভেঙেচুরে অকেজো হয়ে পড়ে রয়েছে। ময়লা আবর্জনা সড়কটির আশপাশসহ বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে। দুর্গন্ধে পরিবেশের দূষণ ছড়াচ্ছে।
এ সময় এলকার বাসিন্দা শিক্ষক মো. ইসমাইল হোসেন, মো. আবুল খায়ের, ফারুক আজম স্বপন, ব্যবসায়ী আবদুস ছামাদ, জাকির হোসেনসহ অনেকে অভিযোগ করে বলেন, এ সড়কটি পূর্ব প্রান্তের উপজেলা সদর থেকে ভাউকসার-বিজরা সড়কের সঙ্গে সংযোগ এবং পশ্চিম প্রান্ত তলাগ্রাম-লক্ষ্মীপুর নামক সড়কের সঙ্গে সংযোগ রয়েছে। এ সড়কটির সঙ্গে তলাগ্রাম, পাঠানপাড়া, বেলভুজ, লক্ষ্মীপুর সহ ৫টি গ্রামের হাজারো মানুষের সহজে যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক।
অথচ এই সড়কটি গত প্রায় ৬ বছর যাবত সংস্কার কাজ না হওয়ায় এটি চলাচলে অযোগ্য হয়ে পড়েছে। দুর্ঘটনার ভয়ে সিএনজি অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন এ সড়ক দিয়ে চলাচল করতে চায় না। স্বল্প বৃষ্টিতে আশপাশের দূষিত পানি আর ময়লা আবর্জনায় পুরো সড়ক সয়লাভ হয়ে উঠে।
এ সময় হাঁটা চলা দুস্কর হয়ে পড়ে। সড়কের পাশে বাসাবাড়িতে দূষিত পানি আটকা পড়ে যায়। এ সময় পরিবেশের মারাত্মক দূষণ ঘটে। বর্ষায় এর অবস্থা আরোও নাকাল হয়ে উঠে। এসময় অন্তহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয় বাসিন্দাদের। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীদের যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অসুস্থ্য রোগীদের হাসপাতালে নিতে গিয়ে বেকায়দা পড়তে হয়। সড়কটির এ হেন অবস্থার কারণে ১০ টাকার অটো সিএনজির ভাড়া ৩০ টাকা গুনতে হয়।
পণ্য পরিবহনের পিকআপ ভ্যান অন্য পথে ঘুরে আনতে অধিক ভাড়া গুনতে হয়। সড়কটির এ হেন দুরবস্থার কারণে এলাকার বাসাবাড়ি সমূহে ভাড়াটিয়ারা আসতে চান না। এ ছাড়া তারা আরও অভিযোগ করে বলেন, হাজারো মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে স্বল্পদৈর্ঘ্যের এ সড়কটি সংস্কারের লক্ষ্যে একাধিক বার পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার পরে ও কোন ফল পাওয়া যাচ্ছে না। এমতাবস্থায় সড়কটি সংস্কারে সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছেন তারা।
জানতে চাইলে পৌরসভা নির্বাহী প্রকৌশলী কাজী শাখাওয়াত হোসেন জানান, বরাদ্দপ্রাপ্তির সাপেক্ষে সড়কটির সংস্কার কাজ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করে দেওয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
অর্থ-বাণিজ্য: বিশ্ববাজারে সোনার দামে রেকর্ড
অর্থ-বাণিজ্য: ব্যাংক থেকে কর্পোরেট ঋণ কমানো হবে: গভর্নর
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: চতুর্থবারের মতো টিএমজিবি সদস্যদের সন্তানদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: বিকাশ অ্যাপ থেকেই সেবা সংক্রান্ত অভিযোগ ও এর অগ্রগতি ট্র্যাক করার সুযোগ