সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে স্কোয়াশের বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রতিদিন এখান থেকে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে পাঠানো হচ্ছে তাজা স্কোয়াশ, যা স্থানীয় কৃষকদের নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে। ভিটামিন ও ক্যালসিয়াম এ সমৃদ্ধ উচ্চমূল্যের এই ফসল শাহজাদপুরের কৃষকদের জন্য খুলে দিয়েছে এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার।
স্থানীয় কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, স্কোয়াশ সাধারণ দোআঁশ ও বেলে-দোআঁশ মাটিতে ভালো জন্মায়। বীজ বপনের ৪-৫ দিনের মধ্যে চারা গজায় এবং ৬০-৭০ দিনের মধ্যেই বাজারজাতযোগ্য ফল সংগ্রহ করা যায়। সঠিক পরিচর্যায় প্রতি হেক্টরে গড়ে ৪০-৪২ টন পর্যন্ত ফলন পাওয়া সম্ভব। এবছর শাহজাদপুরে ২৫ হেক্টর জমিতে স্কোয়াশ চাষ করা হয়েছে এবং এর ফলে প্রায় ১০১২ মেট্রিক টন স্কোয়াশ আবাদ সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। চাষিদের আশা এ বছর তারা প্রতি হেক্টর এ প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকা লাভের মুখ দেখবেন। শাহজাদপুর উপজেলার বাঘাবাড়ি ইউনিয়নের চর ধুনাইল গ্রামের কৃষক মো. সোরমান আলী বলেন, আগে অন্য ফসল চাষ করতাম। গত দুই বছর হলো কৃষি অফিসের পরামর্শে ও সহায়তায় স্কোয়াশ চাষ করছি। খরচ কম, ফলন বেশি, বাজারে দামও ভালো। এ বছর বিঘায় প্রায় ৬০ হাজার টাকা লাভের আশা করছি। শাহজাদপুর উপজেলার উপজেলা কৃষি অফিসার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, নিরাপদ সবজি ও উচ্চমূল্যের ফসল হিসেবে শাহজাদপুর এ স্কোয়াশ চাষ জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। এ বছর ২৫ হেক্টর জমিতে প্রায় ১ কোটি ১৩ লাখ টাকার লাভ হবে বলে আশা করছি। কৃষি অফিস থেকে এ ফসল চাষে সব ধরনের সহায়তা ও পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, পরিকল্পিত চাষাবাদ ও বাজার ব্যবস্থাপনা উন্নত করা গেলে স্কোয়াশ অদূর ভবিষ্যতে দেশের অর্থকরী ও রপ্তানিযোগ্য সবজি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করতে পারবে। স্কোয়াশে ভিটামিন-এ, ভিটামিন-সি, ক্যালসিয়াম ও খাদ্যআঁশ প্রচুর পরিমাণে থাকে। এটি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং হজমে সহায়ক।
বাংলাদেশে সবজি উৎপাদনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে স্কোয়াশ চাষ। ক্রমবর্ধমান পুষ্টি চাহিদা পূরণ এবং কৃষকের আয় বৃদ্ধিতে এই সবজি ইতোমধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে শুরু করেছে। স্বল্প সময়ে ফলন, সহজ পরিচর্যা এবং বাজারে ভালো দামের কারণে কৃষকদের মধ্যে স্কোয়াশ চাষের জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে।
অর্থ-বাণিজ্য: বিশ্ববাজারে সোনার দামে রেকর্ড
অর্থ-বাণিজ্য: ব্যাংক থেকে কর্পোরেট ঋণ কমানো হবে: গভর্নর
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: চতুর্থবারের মতো টিএমজিবি সদস্যদের সন্তানদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: বিকাশ অ্যাপ থেকেই সেবা সংক্রান্ত অভিযোগ ও এর অগ্রগতি ট্র্যাক করার সুযোগ