image
দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) : বাড়ি দখলমুক্ত করতে উপজেলা সমাজসেবা অফিসের অভিযান -সংবাদ

দুপচাঁচিয়ায় আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও বাড়ি দখল পেলেন না বিধবা

প্রতিনিধি, দুপচাঁচিয়া (বগুড়া)

বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার জিয়ানগর সোনারপাড়া গ্রামের বিধবা ফরিদা বেওয়া (৬৫) তার নিজবাড়ি আদালতের আদেশ থাকা সত্ত্বেও পুত্রবধূর অসহযোগিতায় দখল পেলেন না।

আদালতের আদেশ সূত্রে জানা যায়, জিয়ানগর সোনারপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুস সামাদের স্ত্রী ফরিদা বেওয়া তার নামে দলিলকৃত জায়গার ওপর নির্মিত বাড়িতে তার প্রবাসী বড় ছেলের স্ত্রী শ্যামলী আক্তারকে নিয়ে বসবাস করতেন।

এরই মাঝে পুত্রবধূ শ্যামলী আক্তার তার শ্বাশুড়িকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়ে বাড়িটি দখলে নেয়। উপায়ন্তর না পেয়ে ফরিদা বেওয়া আদালতের শরণাপন্ন হন। বিজ্ঞ আদালত শুনানি শেষে ফরিদা বেওয়াকে তার বাড়ি বুঝিয়ে দেয়ার জন্য আদেশ প্রদান করে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জাহিদ হাসানকে দায়িত্ব প্রদান করেন। জাহিদ হাসান গত বৃহস্পতিবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে বাড়িটি দখল মুক্ত করতে যায়।

ওইদিন ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম বাড়িটি দখলমুক্ত করে দিতে দুদিন সময় চাইলে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জাহিদ হাসান তাকে দুদিনের সময় দেন। কিন্তু ইউপি সদস্য শ্যামলী আক্তারকে মালামাল সরিয়ে নিতে বললে তিনি মালামাল না সরিয়ে বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে উধাও হয়ে যান। ইউপি সদস্য বিষয়টি উপজেলা সমাজসেবা অফিসারকে অবহিত করলে সমাজসেবা কর্মকর্তা গতকাল রোববার পুনঃরায় বিধবাকে বাড়িটি বুঝিয়ে দেয়ার জন্য ওই গ্রামে যান। কিন্তু পুত্রবধূ শ্যামলা আক্তার তালাচাবি দিয়ে অন্যত্র চলে যাওয়া বাড়িটি দখলমুক্ত করা সম্ভব হয়নি।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জাহিদ হাসান বলেন, শ্যামলী আক্তার বাড়িতে তালাচাবি দিয়ে লাপাত্তা থাকায় বাড়িটি দখলমুক্ত করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে আদালতে প্রতিবেদন প্রদান করব। বিজ্ঞ আদালত পরবর্তীতে যে আদেশ প্রদান করবেন, সে মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

‘সারাদেশ’ : আরও খবর

সম্প্রতি