image

চৌহালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যাম্বুলেন্স আছে, নেই চালক

জেলা বার্তা পরিবেশক, সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে লক্কর ঝক্কর অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও গত তিন বছর ধরে নেই কোনো নিয়মিত ড্রাইভার। এতে জরুরি মুহূর্তে রোগী পরিবহনে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে রোগী ও স্বজনদের। চৌহালী হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের মার্চ/এপ্রিল মাসের শেষ দিকে চৌহালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিয়মিত ড্রাইভার অবসরে যান। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো নতুন ড্রাইভার নিয়োগ হয়নি। ফলে রোগী রেফার কিংবা জরুরি ভিত্তিতে নাগপুর,টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে নেয়ার মতো সরকারি পরিবহনের ব্যবস্থা নেই। বর্তমানে লক্কর-ঝক্কর যে অ্যাম্বুলেন্স আছে সেটাও চলছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পিয়ন ফিরোজ আহমেদকে দিয়ে। তাই বিকল্প হিসেবে রোগীদের ভরসা এখন সিএনজি অথবা অটো-ভ্যান। এসব জরাজীর্ণ পরিবহন ব্যবহারে যেমন বাড়তি অর্থ ব্যয় হচ্ছে, তেমনি সময় বেশি লাগছে, ঝুঁকিও নিতে হচ্ছে সঙ্গে রয়েছে জীবনের ঝুঁকি।

সম্প্রতি উপজেলার খাষকাউলিয়া ইউনিয়নের এক গর্ভবতী নারী, তানিয়া খাতুন (ছদ্মনাম), স্বাভাবিক প্রসবের উদ্দেশ্যে চৌহালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হতে গেলে তারা পরামর্শ দেন সিজার বা অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন। তখন তাকে টাঙ্গাইল  নেয়ার সিদ্ধান্ত নেন পরিবারের সদস্যরা। বাধ্য হয়ে তারা একটি সিএনজি ভাড়া করেন।

ওই সিএনজিচালক হুমায়ুন জানান, টাঙ্গাইল পৌঁছাতে ভাড়া দিতে হয় এক হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা। অথচ সরকারি অ্যাম্বুলেন্স থাকলে কিলোমিটারপ্রতি ১০ টাকা হিসেবে ৩০ কিলোমিটার সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা খরচ হতো।

এ বিষয়ে চৌহালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ.বি.এম. কায়সার বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘ দিন ধরে এম্বুলেন্সের কোনো ড্রাইভার না থাকায় রোগীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।

‘সারাদেশ’ : আরও খবর

সম্প্রতি