image
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত

চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুরে ১৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

প্রতিনিধি, চুয়াডাঙ্গা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলায় ব্যাপক নিরাপত্তা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬- বিজিবি)। গতকাল সোমবার রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন ৬ বিজিবির পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলার ৭টি উপজেলার ৪টি সংসদীয় আসনে মোট ১৯ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হবে। নির্বাচনী এলাকায় বিজিবি মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি) পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান বলেন, আসন্ন নির্বাচনে ভোটাররা যাতে কোনো প্রকার ভয়ভীতি ছাড়া উৎসবমুখর পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেটি নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে বিজিবি সদস্যরা সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে চুয়াডাঙ্গার নির্বাচনী এলাকাগুলোতে দায়িত্ব পালন করবেন। আমাদের আওতাধীন সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জেলার প্রতিটি সংসদীয় আসনে একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে আমরা বদ্ধপরিকর।

তিনি আরও জানান, গত ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্প ও ভোটকেন্দ্রগুলোর রেকি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। আগামী ২৯ জানুয়ারি থেকে ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে বিজিবি সদস্যদের মোতায়েন প্রক্রিয়া শেষ করে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

নির্বাচনী এলাকায় মোট ৭টি অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে নিয়মিত টহল ও তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। সীমান্তবর্তী তিনটি উপজেলা- দামুড়হুদা, জীবননগর ও মুজিবনগর বিজিবি এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে। অপরদিকে অন্যান্য উপজেলায় সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব ও আনসারের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে যৌথভাবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করা হবে।

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সব বাহিনীর সমন্বয়ে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট-২’ পরিচালনার পাশাপাশি নিয়মিত জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।

পরিচালক তার বক্তব্যে বিগত বছরের সাফল্যের চিত্র তুলে ধরে বলেন, ২০২৫ সালে সীমান্ত সুরক্ষা ও মাদকবিরোধী অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে ৬ বিজিবি। গত এক বছরে ১৯ জন আসামিসহ ৩৩ কোটি ১৩ লাখ ৭৩ হাজার ৭৯০ টাকার চোরাচালানি মালামাল জব্দ করা হয়েছে।

সম্প্রতি