image

বেনাপোল বন্দর দিয়ে ৩ মাস পর ৫১০ টন চাল আমদানি

প্রতিনিধি, বেনাপোল (যশোর)

বেনাপোল স্থলবন্দরে ৩ মাস পর ৪টি চালানে ৫১০ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) সিদ্ধ চাল আমদানি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ১৪টি ট্রাকে আমদানি করা চালের এসব চালান বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইর্য়াডে প্রবেশ করে। বুধবার, (২৮ জানুয়ারী ২০২৬) বন্দর থেকে চাল খালাস হলে, নেয়া হবে দেশের অভ্যন্তরে।

চাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হাজী মুসা করিম এন্ড সন্স। আমদানি করা চাল ছাড়করণের জন্য কাজ করছেন সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মের্সাস

ভূইয়া এন্টারপ্রাইজ। দেশের বাজারে দাম কমাতে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাস্টমস থেকে ছাড়ের সুবিধা দিয়েছে সরকার।

বন্দর সূত্র জানায়, গত বছরের নভেম্বর মাসে এই বন্দর দিয়ে সর্বশেষ চাল আমদানি হয়েছিল ৬ হাজার ১২৮ মেট্রিক টন। গত ১৮ জানুয়ারি পুনরায় ২৩২ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। যা সময়সীমা বেধে দেয়া হয়েছে ৩ মার্চ পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে আমদানিকৃত চাল বাংলাদেশে বাজারজাত করতে হবে।

আমদানিকৃত চাল প্রতিকেজি বেনাপোল বন্দর পর্যন্ত আমদানি খরচ পড়েছে ৫০ টাকা এবং খোলা বাজারে এ চাল কেজিতে বিক্রয় হবে ৫১ টাকা বলে জানা গেছে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) মো. শামীম হোসেন জানান, চার চালানে ৫১০ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি হয়েছে। আমদানিকৃত চালের চালানগুলো বন্দর থেকে দ্রুত খালাসের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

‘সারাদেশ’ : আরও খবর

» কুমিল্লায় ৩৪৩ জন ‘সন্ত্রাসীর’ তালিকা ধরে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ

» বাড়ি ফেরার পথে এসএসসি পরীক্ষার্থী সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত

» বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মাসিক সমন্বয় সভা

সম্প্রতি