পলাশের ডাংগা ইউনিয়নোর কাজৈর গ্রামে মেঘলা (২৩) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত রোববার সন্ধ্যা ৮টার দিকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে পলাশ থানার এসআই রেজাউলের নেতৃত্বে। পুলিশ জানায় মরদেহের কাঁধের পিছনে একটি কাল দাগ দেখা গিয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে বলেও পুলিশ জানায়। এদিকে মেঘলার পরিবারের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে শ্বশুরবাড়ির লোকজন মেঘলাকে হত্যা করেছে। ঘটনার পর থেকেই তার স্বামী ও শাশুড়ি পলাতক রয়েছেন। মেঘলার বোন জানায় বিয়ের পর ছয় মাস ভালো ছিল। গত আড়াই বছর ধরেই তার স্বামী রাজু মেঘলাকে দৈহিক-মানসিক নির্যাতন করে আসছে। তার একটি তিন বছরে ছেলে সন্তানও আছে।
জানা যায়, রবিবার বিকেলে পলাশ উপজেলার ডাংগা ইউনিয়নে কাজৈর গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। মরদেহে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে পরিবারের দাবি। তারা জানান, বিয়ের পর থেকেই মেঘলাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হতো।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। পুলিশ জানায় এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি শাহেদ আল মামুন জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
সারাদেশ: মহেশপুরে নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
সারাদেশ: মোহনগঞ্জে ইয়াবাসহ যুবক আটক
সারাদেশ: করিমগঞ্জে ভোটের গাড়ি