সময় যতই ঘনিয়ে আসছে, ততটাই বাস্তব রূপ ধারণ করছে নির্বাচনী মাঠে। আসন্ন ত্রয়দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচার প্রচারণায় যোগ গত সমীকরণে উঠেছে রাজনৈতিক অঙ্গন। সারাদেশের মতো জামালপুরে বইছে নির্বাচনী উত্তাপ হাওয়া। প্রথমবারের মতো নিজের ভোট নিজে দিতে পারবে এই প্রত্যাশায় তরুণ-তরুণী আবালবৃদ্ধবনিতারা। সেই সঙ্গে গ্রাম-গঞ্জে মহল্লায় অলিগলিতে হাটবাজারে রাস্তার মোড়ে মোড়ে চায়ের দোকানে
কর্মস্থলে নির্বাচনী আলাপ-আলোচনা জমে উঠেছে। সেই সঙ্গে চায়ের দোকানগুলোতে গরম চা চুমুক দিতে দিতে নিজের পছন্দের প্রার্থীর আলাপ আলোচনায় মুখরিত হচ্ছে।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার ৫৪ বছরের মাঝে জামালপুরের সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে কোনো নির্বাচনে একাধারে এ আসনে বিজয়ী হতে পারেনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।
বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন বিএনপির হাতছাড়া হয়েছিল। এবার কিন্তু সঠিক সময়ে সাহসী পদক্ষেপ নিয়ে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ‘অধ্যুষিত’ জামালপুর-৩ আসনেই ধানের শীষ প্রতীকের সুনিশ্চিত বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে এসেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।
জামালপুর-৩ আসন (মেলান্দহ ও মাদারগঞ্জ) ২টি উপজেলা নিয়ে গঠিত আসনটিতে ৯ জন প্রার্থী নির্বাচনের মাঠে কাজ করছেন। তারা হলেন- বিএনপির মোস্তাফিজর রহমান বাবুল, জামায়াতে ইসলামীর মজিবুর রহমান আজাদী, জাতীয় পার্টির মীর শামসুল ইসলাম লিপটন, ইসলামী আন্দোলনের দৌলতুজ্জামান আনছারী, গণসংহতি আন্দোলনের ডা. ফিদেল নাঈম, গণ অধিকার পরিষদের লিটন মিয়া, বিএনপি (বিদ্রোহী) স্বতন্ত্র প্রার্থী সাদিকুর রহমান সিদ্দিকী শুভ, বাংলাদেশ গণমুক্তি আন্দোলন এর শিবলুল বারী রাজু ও এক মাত্র নারী প্রার্থী ফারজানা ফরিদ পূথী প্রমুখ।
এআসনটিতে বিএনপির মূল প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত। ১৯৯১ সাল থেকে ২০২৪ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের প্রার্থী মির্জা আজম টানা আটবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবারের নির্বাচনী মাঠে না থাকায় বিএনপির প্রার্থী মোস্তাফিজর