image

বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হয়ে ইউপি চেয়ারম্যানের মিষ্টি বিতরণ

প্রতিনিধি, মুন্সীগঞ্জ

মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হয়ে মিষ্টি বিতরণ করেছেন শ্রীনগর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের মো. তাজুল ইসলাম। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে শ্রীনগর বাজার এবং ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় পথচারী ও দোকানিদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করেন।

এর আগে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী গত ২৭ জানুয়ারি স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য দেলোয়ার হোসেন, তাজুল ইসলাম, আওলাদ হোসেন উজ্জ্বল, জসিম মোল্লা এবং জেলা মহিলা দলের সভাপতি সেলিনা আক্তার বিনাসহ আরও বেশ কয়েকজন নেতাকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কারের বিষয়ে সাধারণ কর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকলেও, শ্রীনগর বাজারে মিষ্টি বিতরণের ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয়দের একাংশের মতে, বহিষ্কারের খবরটিকে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন করে তাজুল ইসলাম দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি ভিন্নধর্মী এক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।

একই আদেশে সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন ভূঁইয়া, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদ এবং কোলা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু তাহেরকেও দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, তাজুল ইসলাম একাধারে তিনি শ্রীনগর উপজেলা, শ্রীনগর সরকারি কলেজ, মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতির দায়িত্ব, জেলা যুবদলের সহসভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সদস্য ও কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য, পরবর্তীতে শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শ্রীনগর উপজেলার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন এবং সর্বশেষ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হন।

তাজুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ৩৫ বছর দলটির রাজনীতি করে অনেক মামলার আসামি হয়েছি। আর দল এখন এই পুরস্কার দিল। আমাকে কী কারণে বহিষ্কার করা হলো তা আমি এখনও জানি না। সাধারণত কোনো ভুল করলে করাণ দর্শানোর নোটিস দেয়া হয়। এই ক্ষেত্রে তাও করা হয়নি। মূলত আওয়ামী লীগ আমলে যারা আওয়ামী লীগ থেকে সুবিধা নিয়েছে তাদের সুযোগ করে দিতেই আমিসহ আরও কয়েকজন ত্যাগী কর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

‘সারাদেশ’ : আরও খবর

সম্প্রতি