জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার ৫ নং পিংনা ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ফুলদহের পাড়া গ্রামের মন্ডল বাড়ির মৃত ফজলুল করিম (বাবর)এর বিধবা স্ত্রী জেসমিন বেওয়া তার প্রতিবেশী মো. রেজাউল করিম এর বিরূদ্ধে এ অভিযোগ করেন।
মো.রেজাউল করিম পিতা মৃত আব্দুল জলিল তার প্রতিবেশী বিধবা জেসমিন বেওয়া এর ঘরের সামনে পাকা দেয়াল নির্মাণের ফলে পূর্বে যে রাস্তা দিয়ে বাহিরে যাতায়াত করতঃ সে রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে।
বিধবা জেসমিন বলেন, বারইপটল মৌজার বিআরএস খতিয়ান নং ১৮৭ দাগ নং ৩৭৮৯ জমির পরিমাণ - সোয়া ১১ শতাংশ এবং একই খতিয়ানে দাগ নং ৩৭৮৮ জমির পরিমাণ - সোয়া ৪ শতাংশ মোট জমির পরিমাণ সোয়া ১৬ শতাংশ।
তিনি জানান, রেজাউল করিম এর খতিয়ান ও দাগ নং ভিন্ন । জমি পরিমাপের জন্য ৫ নং পিংনা ইউনিয়নে আবেদন করলে তার জবর দখল কৃত জমির ভিতর মাপ চলে যায়। এব্যাপারে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে, ২০-০১-২৬ ইং তারিখ পরিমাপের একটি প্রতিবেদন দেয়া হয়। কপি সংযুক্ত। গত ১১-০১-২৬ ইং তারিখ, রবিবার সকাল ১০ ঘটিকা হতে জমি পরিমাপ করার সময় তারাকান্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইকবাল ও এস আই মির্জা মাহমুদুল করিম , একজন কনস্টেবল, একজন ইউপি গ্রাম পুলিশ, উভয় পক্ষের দুজন আমিন দ্বারা পরিমাপ করা হয়। সে মোতাবেক রেজাউল করিম এর অংশে জমি বেশি রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
কিন্তু বিবাদী রেজাউল করিম উক্ত পরিমাপ মানতে নারাজ। এই বিষয়ে বিধবা জেসমিন বেওয়া জানান, আমি একজন বিধবা মহিলা। আমার কেহ না থাকায়, রেজাউল করিম প্রতিনিয়ত জোর পূর্বক আমার সিমানায় ঢুকে আমার ঘরের সামনে দিয়ে ইটের পাকা দেয়াল নির্মাণ করেছেন । ফলে আমার বাহিরে যাওয়ার বা যাতায়াত করার রাস্তা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কাজেই আমি উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের নিকট সুবিচার কামনা করছি। এ ব্যাপারে রেজাউল করিম এর. মোবাইল নাম্বার ০১৭১৮-১৭৩৩৯৫ যে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমার রেকর্ডের যে জমি তার চাইতে দেড় শতাংশ কম আছে। আমি কাহারও সিমানায় দেয়াল নির্মাণ করি নাই এবং অন্যের জমি দখলের ই”ছাও নাই বলে জানান।
এখানে উল্লেখ্য যে, উক্ত জমি পরিমাপ করার সময় সরিষাবাড়ী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল হামিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ বারী , বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মজনু মিয়া উপ¯ি’ত ছিলেন ও ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করেন। এছাড়াও উক্ত গ্রামের মাতব্বর আজিজুল আলীম ( আলমগীর) শফিকুর রহমান ও আব্দুল লতিফ সহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন ও ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করেন।
এব্যাপারে জেসমিন বেওয়ার পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মজনু মিয়া জানান, পরিমাপের পর তারা কান্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইকবাল দেয়াল ভেঙে ফেলে বিধবা জেসমিনের জবর দখল কৃত জমি ছেড়ে দেয়ার কথা হলেও পরে কেন যেন দেয়াল ভেঙে ফেলা হয় নাই বলে জানান।