কিশোরগঞ্জের ভৈরবে আলোচিত কলেজ শিক্ষার্থী হত্যার ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি মেরাজ মিয়া (২৬) ও তার সহযোগী ইব্রাহীম ওরফে নিদানকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে রেলওয়ে থানা পুলিশ। সোমবার, (০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬) দুপুরে মেরাজ ও তার সহযোগী নিদানকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে ১ ফেব্রুয়ারি রাতে উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের বাঁশগাড়ি এলাকা থেকে মেরাজকে ও তার সহযোগী ইব্রাহীম ওরফে নিদানকে পৌর শহরের পঞ্চবটি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভৈরব রেলওয়ে থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সাঈদ আহমেদ।
ওসি জানান, গত বৃহস্পতিবার রাত ১২টায় পৌর শহরের ভৈরবপুর উত্তরপাড়া নিউটাউন এলাকার রোড সাইড পিৎজা সেন্টারের দক্ষিণ দিকের রেললাইনের পাশ থেকে কলেজ শিক্ষার্থী আবু সুফিয়ানের (১৯) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে রেলওয়ে থানা পুলিশ। আবু সুফিয়ান ওরফে শাহ আলম কিশোরগঞ্জ সদর থানার কর্শাকড়িয়াইল ইউনিয়নের বাদে কড়িয়াল এলাকার আবু তাহের মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় শনিবার রাত ১০টায় নিহতের বাবা আবু তাহের মিয়া অজ্ঞাতনামা আসামি করে ভৈরব রেলওয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর ১০ ফেব্রুয়ারি রাতে মামলার প্রধান আসামি মেরাজকে তার শ্বশুরবাড়ি উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের বাঁশগাড়ি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। মেরাজের দেয়া তথ্যমতে পঞ্চবটি থেকে নিদানকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মেরাজ হত্যার ঘটনা শিকার করেছে। তার দেয়া তথ্য মতে কলেজ শিক্ষার্থী আবু সুফিয়ানের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। আসামিদের তথ্যমতে জানা যায়, তারা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে আবু সুফিয়ানকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত আছে। ওসি মোহাম্মদ সাঈদ আহমেদ জানান, গত ২৯ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কিশোরগঞ্জগামী এগারসিন্দুর ট্রেনে করে ভৈরবে এসেছিল কলেজ ছাত্র আবু সুফিয়ান।