টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে আপন ভাইয়ের বিরুদ্ধে ভূমি অধিগ্রহণে প্রাপ্ত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আদালতে উভয় পক্ষের একাধিক মামলা চলমান রয়েছে। জানা যায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের টুকনিখোলা গ্রামের দেলদুয়ার মৌজাধীন ৯৯৬ খতিয়ানের ৪৯৫২ নং দাগের ৯ শতাংশ ভূমির মধ্যে সাড়ে ৪ শতাংশ ভূমি টাঙ্গাইল-দেলদুয়ার-লাউহাটী-কালামপুর আঞ্চলিক মহাসড়ক নির্মানকল্পে সরকার কর্তৃক অধিগ্রহণ করা হয়। ওই সাড়ে ৪ শতাংশ ভূমির পৈত্রিক সূত্রে মালিক টুকনিখোলা গ্রামের মৃত হাফিজ উদ্দিনের ২ ছেলে নাজমুল ও বিলু মিয়া (বুলবুল)। নাজমুল মিয়া বিদেশে অবস্থান করায় অধিগ্রহণে সরকার বরাদ্দকৃত মূল্য উত্তোলনের জন্য ছোট ভাই বিলু মিয়াকে ক্ষমতাপত্র অর্পন করেন। কিন্তু ছোট ভাই বিলু মিয়া সরকার থেকে প্রাপ্ত ৭৬ লক্ষ টাকা উত্তোলন করে বড় ভাইয়ের অংশ বুঝিয়ে না দিয়ে নিজেই আত্মসাৎ করেছেন। বড় ভাই নাজমুল বিদেশে অবস্থান করায় তার স্ত্রী ন্যায্য অংশ পেতে আদালতের স্মরণান্ন হন। উল্লেখ্য যে বিলু মিয়া ওই অর্থে পৈত্রিক জায়গায় থাকা পাকা ভবনের বাকি অংশের দ্বিতীয় তলার কাজ শুরু করেছে। ফলে নাজমুলের ছেলে নাহিদ বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালত ওই মামলা আমলে নিয়ে ১৪৪ ধারা জারী পূর্বক নির্মান কাজ বন্ধের আদেশ দেন। কিন্তু আদালতের আদেশ অমান্য করে বিলু মিয়া নির্মান কাজ চলমান রেখেছেন।
এ ব্যপারে জানতে চাইলে মৃত হাফিজ উদ্দিনের স্ত্রী বিলু ও নাজমুল মিয়ার মা বলেন, আমার ছোট ছেলে বিলু মিয়া এ জমি এবং এর উপর নির্মীত পাকা ভবন একাই ভোগ করতে চায়। কিন্তু এ সম্পদের মালিক আমার উভয় ছেলেই। দুই ভাই মিলেই ভবনটি নির্মান করেছে। নাজমুল বিদেশ থাকায় বিলু সরকারি টাকা উত্তোলন করেছে। এখন বিলু বলছে এ জায়গা এবং অধিগ্রহণের টাকা আমি নাজমুলকে দেব না। বিলু বলছে বিল্ডিং নির্মানে নাজমুলের কোনও অবদান নাই। কিন্তু তা সত্য নয়। উভয় ভাই মিলেই এক তলা বিল্ডিং নির্মান করেছিল। এখান থেকে অধিগ্রহণে যে টাকা পেয়েছে তা বিলু একাই আত্মসাৎ করেছে।