চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনার কেরু চিনিকলের ২০২৫-২৬ আখ মাড়াই মৌসুম নির্ধারিত সময়ের ১০ দিন আগেই বন্ধ হলো। শুক্রবার, (০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬) সকাল ৯টায় আনুষ্ঠানিক আখ মাড়াই কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়। চিনিকলটি ২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর ২০২৫-২৬ মাড়াই মৌসুমের উদ্বোধন করা হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী ৬৯ মাড়াই দিবসে ৭৬ হাজার মে.টিন আখ মাড়াই করে ৪ হাজার ২৫৬ মে.টন চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। সে স্থলে ৫৯ মাড়াই দিবসে কার্যক্রম বন্ধ করা হলো। এতে এ মৌসুমে প্রায় ৬৬ হাজার মে.টন আখ মাড়াই সম্পন্ন হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ১১ হাজার মে.টন কম। এ ছাড়া চিনি উৎপাদন হতে পারে ৩ হাজার ৪শ মে.টন। যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় সাড়ে ৮শ মে.টন কম। এতে চিনি উৎপাদন খরচ অসাভাবিক বেড়ে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির লোকসানের বোঝা আরও বাড়তে পারে।
১০২ কোটি টাকা ব্যয়ে কেরু চিনি কারখানাটি আধুনিকায়ন করা হয়। চলতি বছরে আধুনিকায়নকৃত কারখানাটি চালু করে উৎপাদন কার্যক্রম চালানো হয়। এতে আধুনিক কারখানায় বার বার যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে উৎপাদন মারাত্মক বিঘিœত হয়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা চিনিকলটি বন্ধ থাকায় আখচাষিরা আখ সরবরাহে দুর্ভোগের শিকার হন। আখ দীর্ঘমেয়াদি ফসল। সে কারণে চাষিদের আখ চাষে আগ্রহ ক্রমান্বয়ে কমে যাচ্ছে। এরপর আখ সরবরাহে ভোগান্তি আখচাষে বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, চলতি বছর লোকসানের মাত্রা কমিয়ে লাভজনক করতে তারা নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। চাষিদের আখ চাষে উদ্বুদ্ধকরণ, উচ্চ ফলনশীল জাত ও আধুনিক পদ্ধতিতে আখ চাষ এবং সহজ শর্তে প্রণোদনা প্রদান নিশ্চিত করা হয়েছিল। কিন্তু চিনিকলটিতে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আখ চাষে