পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় ৬টি ইউনিয়নের মোট ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ২০ হাজার ৫০৬ জন। যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬০ হাজার ৯২৬ জন ও মহিলা ভোটার ৫৯ হাজার ৫৮০ জন। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ উপজেলায় মোট ৪৩টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। যার মধ্যে ২১টি ভোটকেন্দ্রেই ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করেছেন উপজেলা নির্বাচন অফিস। তবে সবকটি ভোটকেন্দ্রই ডিজিটাল সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে বলে জানান তারা।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি মির্জাগঞ্জ উপজেলায় ৪৩টি কেন্দ্রে মোট ২৪২টি কক্ষে নাগরিকদের ভোটগ্রহণ করা হব, বিজিবি, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ানসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা মাঠে কাজ করবে।
মির্জাগঞ্জ উপজেলাটি পটুয়াখালী-১ সংসদীয় আসনের অন্তর্ভুক্ত; যা পটুয়াখালী সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকি উপজেলা নিয়ে গঠিত। এখানে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শুরুর দিকে ছয়জন প্রার্থী থাকলেও বর্তমানে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। যারা হলেন- জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকে আলতাফ হোসেন চৌধুরী, জামাত জোট মনোনীত এবি পার্টির ঈগল মার্কার প্রার্থী আব্দুল ওহাব, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখ মার্কার প্রার্থী ফিরোজ আলম, গণতান্ত্রিক বামজোট মনোনীত জাসদের জীপগাড়ি মার্কার প্রার্থী গৌতম চন্দ্র শীল ও জাতীয় পার্টির লাঙ্গল মার্কার প্রার্থী আব্দুল মান্নান। এ ছাড়া গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী শহিদুল ইসলাম ফাহিম বিএনপিকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছে।
মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মালিহা খানম জানান, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। তাছাড়া সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অর্থ-বাণিজ্য: দারাজ বাংলাদেশে ‘২.২ গ্র্যান্ড রমজান বাজার’ ক্যাম্পেইন
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: ৭০০ মেগাহার্জ স্পেকট্রামের বরাদ্দপত্র পেলো গ্রামীণফোন
সারাদেশ: উপকূলে কমেছে পরিযায়ী পাখির আশ্রয়স্থল